ট্রেনের শব্দ শুনে দায়িত্ব পালন করছে গেটম্যানরা

0
192

সাঈদুর রহমান আবির : ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই সিগন্যাল সিষ্টেম অকেজো থাকায় প্রতিনিয়ত ঘটছে প্রাণহানিসহ অঙ্গহানির ঘটনা। গেটম্যানদের দৃষ্টির পলক আর হাতের ইশারার ওপর নির্ভর করতে হয় পথচারী এবং রাস্তায় চলাচলকারী পরিবহনগুলোকে।

শুধু তাই নয়, রাজধানীর পথ ছেড়ে মফস্বলে ছুটলেই আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠবে কিভাবে অরক্ষিত থাকে রেলগেটের সিগন্যালগুলো। দর্শক, তাই এবার তুলে ধরা হয়েছে মাই সার্চে।

নিরাপদ যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো রেলপথ। অথচ এই রেলপথই হয়ে ওঠে কখনো কখনো মৃত্যুর কারন। রাজধানীর সড়কে রেলগেটের সিগন্যাল থাকলেও অধিকাংশ সময় অকেজো থাকায় ট্রেন কখন আসে ; আর কখন যায় তা নিয়ে রীতিমতো সংশয় আর আতঙ্কে থাকেন গেটম্যানরা। ট্রেন আসার শব্দ শুনে গেইট ম্যানদের প্রস্তুতি নিতে হয়।

হাতের ইশারার উপর নির্ভর করে, রাজধারীর অধিকাংশ রেল গেটগুলো নিয়ন্ত্রণ হলেও মফস্বল শহরের দিকে চোখ ফেরালে আরও বেশি স্পষ্ট হবে কতটা অরক্ষিত এই রেলগেটগুলো। গেটম্যানতো দুরের কথা ; কোথাও নেই কোন সিগন্যালের ব্যবস্থা।

গেইটম্যানদের আরেকটি বিষয় শুনলে হয়তো সকলেই অবাক হবেন।সাপ্তাহিক ছুটিতো দূরের কথা, এরা পায়না ঈদ কোরবানি সহ কোন ধরনের কোন ছুটি। এর ফলে পরিবার-পরিজনের সাথে ক্রমেই বাড়ছে সর্ম্পকের দূরত্ব। বঞ্চিত করা হয় নায্য অধিকার থেকেও।

যারা অস্থায়ী ভিত্তিতে দিনে রাতে কাজ করে যাচ্ছেন, তারা আবার ঠিকমতো পাচ্ছেনা তাদের নামমাত্র বেতনটুকুও।পরিস্থিতি যখন এই, তখন কি বলছেন রেলমন্ত্রী। আর এই সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ কি ?