ডা. সাবরিনার মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

0
330

করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জেকেজি হেলথ কেয়ারের জালিয়াতির মামলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন হুসেইন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চত করে মঙ্গলবার ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুল আলম বলেন, মামলা তদন্তের দায়িত্ব ডিবিতে ন্যস্ত হয়েছে। এখন থেকে ডা. সাবরিনাকে ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে,  তেজগাঁও থানায়  ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার সকালে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাবরিনাসহ মামলার আসামি সাতজন। অন্যরা হলেন সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী, আরিফুলের ভগ্নিপতি সাঈদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী হুমায়ুন কবির, তানজিনা পাটোয়ারি, মামুন ও বিপ্লব।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে থেকে স্বামী আরিফ চৌধুরীর সহায়তায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রস্তুত ও সরবরাহ করার অভিযোগে রবিবার ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের তেজগাঁও ডিভিশনে আনা হয়ে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার ঢাকার আদালত সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জেকেজিকে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছিল। শুরুর দিকে চুক্তি অনুযায়ী, তারা বিনা মূল্যে নমুনা সংগ্রহ করে তা সরকার নির্ধারিত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করাচ্ছিল।তবে কিছুদিন পর তারা বাসা থেকে ৫ থেকে ৮ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে পরীক্ষা করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে নমুনা পরীক্ষা না করেই তারা প্রতিবেদন দেয়। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা ল্যাপটপে এমন ১৫ হাজার ভুয়া সনদ পেয়েছে পুলিশ।

এছাড়া রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যায়। কলেজের কক্ষে নারী-পুরুষের আপত্তিকর অবস্থানসহ নানা অনৈতিক কাজে বাধা দিলে তিতুমীর কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের ওপরও হামলা করে আরিফুলের লোকজন।