দক্ষিণ এশিয়ার সেরা আকর্ষণ হতে পারে বাংলাদেশ (ভিডিও)

0
232

রাকিব হাসান : পর্যটন একটি বহুমাত্রিক ও শ্রমঘন শিল্প। সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণশীল ও বৃহৎ বাণিজ্যিক কর্মকান্ড হিসেবে এ শিল্প বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাংলাদেশেও রয়েছে জানা অজানা অনেক পর্যটক আকর্ষক স্থান।

তবে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি খাতটি। সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী।

অপরূপ সৌন্দর্যের নীলাভূমি বাংলাদেশ। এদেশে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন, প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন, হিমছড়ির র্ঝণা, হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপসহ অসংখ্য অকর্ষনীয় পর্যটনকেন্দ্র।

১৯৯৯ সালে পর্যটনকে শিল্প হিসেবে ঘোষনা করে বাংলাদেশ। একটি দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য আর বৈচিত্রময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে পর্যটন অপরিহার্য মাধ্যম।

যে কোন দেশের অর্থনীতিতে পর্যটনের আয় ব্যাপক অবদান রাখতে পারে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে আকর্ষনীয় করার অন্যতম উপায় হতে পারে এই পর্যটন শিল্প।

পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১০০কোটি। ২০২০ সাল এ সংখ্যা দাঁড়াবে ১৬০ কোটিতে। পর্যটন সক্ষমতার দিক থেকে ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৮।

পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে এরই মধ্যে সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন বেসরকারি উদ্যোক্তরা। কাজ করছেন দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও।

পর্যটনকে কোন ম্যাজিক হিসেবে না ভেবে এ খাতে আরো বেশী বিনিয়োগের দাবী জানান ট্যুরিজম অপারেটরস অব বাংলাদেশ টোয়াবের সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ।

বর্তমান সরকারকে পর্যটন বান্ধব উল্লেখ করে এ খাতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

পর্যটন শিল্পের সবটুকু সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আগামীর বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার আদর্শ হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।