আবু সাঈদ অপু : নামে কিংবা বেনামে দুর্নীতি কিংবা অনিয়ম, যে কোন খবর জানাতে চালু রয়েছে হটলাইন নম্বর। তবে এসব নম্বরে অধিকাংশ অভিযোগ আসছে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলাসহ ঋণ খেলাপির খবর।

দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কোন অনিয়ম-দুনীর্তির খবর জানাতে দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন নম্বরে প্রতিনিয়ত আসছে অসংখ্য অভিযোগ।

অভিযোগের মধ্যে জমিসংক্রান্ত জালিয়াতী থেকে শুরু করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়াসহ ব্যাংক-বীমায় অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর হরহামেশাই আসছে। আর সেই সত্য জানতে ঘটনার অন্তরালে টিম দুনীর্তি দমন কমিশনে। হটলাইন চালু করার পর থেকে ২ হাজার ৮০০ টি ঘটনার অনুসন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ টি অভিযোগের তদন্ত চলছে। আর ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতীর বেশ কয়েকটি আলোচিত খবরতো রয়েছেই।

অনুসন্ধান বলছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে এবি ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ও বাংলাদেশ ডেভলোপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের ঋণের তালিকা ও অবলোপন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা শেষে জালিয়াতি রোধে ১০ দফা সুপারিশ করেছে দুনীতি দমন কমিশন। শুধু তাই নয়, ঋণ জালিয়াতিতে নাম রয়েছে বেসিক ব্যাংকেরও। তবে পত্রিকার পাতায় এসব খবর ফুটে উঠলেও কোনটির নাম বলছে না দুদক।

দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, দুর্নীতি সংক্রান্ত সব অভিযোগই গুরুত্বের সাথে আমলে নেয়া হচ্ছে।
তবে নির্দিষ্টভাবে কোন ব্যাংকের কথা না বললেও ইঙ্গিত ছিল কোন প্রকার ছাড় না দেয়ার।

ব্যাংকগুলোর ঋন জালিয়াতি বা দুনীর্তির পেছনে করা জড়িত সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই গর্ভনর বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আর বিচার দীর্ঘসূত্রিতার কারনে ঋাণ জালিয়াতিতে উৎসাহীর সংখ্যা বাড়ছে।