রাকিব হাসান : দৃশ্যমানের পথে এগিয়ে চলছে দেশের প্রথম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ। ২০১৯ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইতালি-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী। সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্বে নির্মিত প্রকল্প নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। রাজধানীর যানজট নিরসনে এটি সরকারের নেয়া সবচেয়ে বড় প্রকল্প।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী হয়ে চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকায় গিয়ে শেষ হবে এই এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে।

এক্সপ্রেসওয়ের মূল লাইনের দৈর্ঘ্য বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে প্রকল্পটিতে বিনিয়োগ ও বাস্তবায়নে কাজ করছে ইতালি থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী। ২০১১ সালে প্রথম দফায় চুক্তি হলেও ২০১৩ সালে তা সংশোধনের পর কাজ শুরু করে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও যানজট নিরসনে কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব।

বিকল্প হিসেবে রাজধানীর চারপাশের নদী পথগুলোকে সহজিকরন এবং মেট্রোরেল ও উড়াল সেতুর মত প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এরই মধ্যে বিমানবন্দর থেকে বনানী, বনানী থেকে মগবাজার এবং মগবাজার থেকে কুতুবখালী এই তিনটি অংশে বিভক্ত করে পুরোদমে এগিয়ে চলছে প্রকল্পের কাজ। দেশের প্রথম ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে অনেক আশাবাদী সাধরণ মানুষ।