দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় সরকার: মির্জা ফখরুল

0
70

সহায়ক সরকারের অধীনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশকে সুপরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করতে চায় সরকার দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্নটিটিউটে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাগপার বিশেষ জাতীয় কাউন্সিলে বক্তব্যে এই দাবি তোলেন বিএনপি মহাসচিব। সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের মৃত্যুর পর নতুন নেতৃত্ব ঠিক করতেই এই বিশেষ কাউন্সিল করে দলটি।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের রায়ে দেওয়া হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা ব্যর্থতার তদন্ত দাবি করেছেন বিএনপির এই নেতা।

২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা হত্যার পর বিএনপি দাবি করেছিল, এটা ছিল সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র।

সীমান্ত রক্ষা বাহিনীতে ওই বিদ্রোহ সামাল দিতে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ ছিল না বলে বিএনপি মনে করলেও হাই কোর্টের রায়ে সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে এই ঘটনাটিকে প্রশিক্ষিত বাহিনীকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র বলার পাশাপাশি বিদ্রোহের বিষয়ে আগাম গোয়েন্দা সতর্কতা না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

ফখরুল বলেন, কারা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেঙে দিতে চাইল, কারা বাংলাদেশের গর্ব সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতে চাইল, কে লাভবান হলো?

কেন গোয়েন্দা সংস্থা ব্যর্থ হল বিষয়টা জানাতে? কেন সেদিন অতি দ্রুততার সঙ্গে বিদ্রোহ দমন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হল না? কেন সেদিন সিদ্ধান্ত নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অতিবাহিত করতে হল?”
এসব বিষয়ে সুষ্ঠু, নির্মোহ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করার দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।

সেনাবাহিনী যে তদন্ত করেছিল, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের দাবিও জানান তিনি। রায়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড নেতা তোরাব আলীর খালাস পাওয়া নিয়ে ও প্রশ্ন তোলেন ফখরুল।

জাগপা‘র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেহানা প্রধানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপি নেতা অ্যালবার্ট পি কস্টা।

আরো ছিলেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তাসমিয়া প্রধান, সহসভাপতি খন্দকার আবিদুর রহমান, আবু মোজাফফর মো. আনাছ, মাস্টার এম এ মান্নান, রকিবউদ্দিন চৌধুরী মুন্না, যুগ্ম সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম শফিক, শেখ জামালউদ্দিন, ইকবাল হোসেন, আওলাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রোকন উদ্দিন হাজারী, শাহজাহান খোকন বক্তব্য রাখেন।