শারমিন আজাদ :

দেশেই বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের চিকিৎসা সেবার কারণে নিম্ন ও মধ্য আয়ের রোগীরা ফিরে পাচ্ছেন বাঁচার আশা। বিদেশে চিকিৎসার শরণাপন্ন হতে হচ্ছে না তাদের, ফলে কোটি কোটি টাকা অর্থপাচারও বন্ধ হচ্ছে।

ব্ল্যাড ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের এ সেবা আরো বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক সহায়তা আশা করছে ঢাকা মেডিকেল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

এখনো স্কুলের গন্ডী পেরোয় নি হুমায়ুন। যখন রঙিন স্বপ্ন চোখে এঁকে জীবনের রূপ দেখবে, তখনই তার রক্তকণিকায় বাসা বাঁধে মরণব্যাধি ক্যান্সারের ছোবল।

কেড়ে নিয়েছে তার বয়স সুলভ স্বাভাবিক উচ্ছলতা। নিস্তেজ পড়ে আছে ঢাকা মেডিকল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের বিছানায়।

২০১৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই প্রথম শুরু হয় বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন। থ্যালাসেমিয়া, ক্যান্সার, আর্থারাইটিস এর চিকিৎসায় এই বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন দরকার পড়ে। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪ জন রোগীকে এ সেবা দিয়েছে ঢাকা মেডিকেল।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেই সিএমএইচ হাসপাতালেও বোন ম্যারো চিকিৎসা সেবার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আমেরিকার একটি হাসপাতালের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছে ঢাকা মেডিকেলে। তবে রয়ে গেছে কিছু প্রতিবন্ধতা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি শুরু হয়েছে এ চিকিৎসা। তবে সরকারের ২০ কোটি টাকার আর্থিক সহযোগিতা রয়েছে তাদের। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর হার ৮ থেকে ১০ শতাংশ। অথচ সেই অনুপাতে চিকিৎসার সেবা পাচ্ছেন কম।