দেশের কথা ভেবে চা মালিক শ্রমিক উভয় পক্ষকে কাজ করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

0
69

শুধু নিজের কথা না ভেবে দেশের কথা চিন্তা করে মালিক শ্রমিক উভয় পক্ষকে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের চা শিল্পকে বহুমুখীকরণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো পরিচিত করে তুলার কথা জানান তিনি।

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, বসুন্ধরায় বাংলাদেশ চা প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশে চা শিল্পকে উন্নত করার পদক্ষেপ জাতির পিতা নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চা শ্রমিকদের ওপর অনেক অত্যাচার হয়েছিল। যুদ্ধের পর এখাত পুর্নগঠনেও তিনি ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভুর্তুকী দিয়েছিলেন যাতে নতুন চা বাগান গড়ে উঠে। আমাদের জাতির পিতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ চা প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মাননা স্মারক হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে জাতির পিতা ও চা শ্রমিকের ছবি তুলে দেয়া হয়।

১৮৫৪ সালে ব্রিটিশদের হাত ধরে সিলেট অঞ্চল থেকে এদেশে শুরু হয় চায়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন। কালের বিবর্তনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন ১৬৪ টি চা বাগান গড়ে উঠেছে।

সরকারি ও বেসরকারিভাবে উৎপাদিত চায়ের অগ্রযাত্রাকে তুলে ধরতেই এই চা প্রদর্শনীর আয়োজন। তিন দিন ব্যাপী প্রদশর্নীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চা উৎপাদনের সাথে জড়িত চা শ্রমিকদের আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সকল ক্ষেত্রে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে চা শিল্পের উন্নয়নে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি এর বহুমুখীকরণে চা শিল্প মালিকদের আরো উদ্যোগী হওয়ার আহবান  জানান প্রধানমন্ত্রী।

২০২৫ সাল নাগাদ ১৮ কোটি কেজি চা উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করছে সরকার জানিয়ে মালিক শ্রমিক সু-সম্পর্ক বজায় রাখার পরামর্শ দেন সরকার প্রধান।

এর আগে বিটি-২১ নামের একটি উন্নত জাতের চয়ের ক্লোন অবমুক্ত, মতিঝিলি ৩০ তলা বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু চা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং চা শিল্পে অবদান রাখায় ৭টি কোম্পানীকে পুরষ্কৃত করা হয়। পরে বিভিন্ন চায়ের ষ্টল ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।