সাইদুর রহমান আবির:

জ্ঞান হচ্ছে তথ্যের কেন্দ্রস্থল এবং সম্প্রীতির স্থান। একটি জাতির ইতিহাস ঐতিহ্য তথা কৃষ্টি কালচারের সংগ্রাহক, সংরক্ষক, ধারক ও বাহক হলো একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার।

সমাজ ও গ্রন্থাগার শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক। গ্রন্থাগার জাতির সভ্যতার ধারক ও বাহক, যেমনি গবেষনায় তেমনি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সহযোগিতায় অবদান রাখতে পারে গ্রন্থাগার। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ভাবনায় গ্রন্থাগারের বর্তমান চিত্র তুলে ধরা হলো।

বই অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ সকল কালে নিয়ে যেতে পারে, বইয়ের রথে চেপে যাওয়া যায় দেশ থেকে দেশান্তরে।

আর বইয়ের রাজ্য হলো গ্রন্থাগার। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের তথ্য সেবা ও সুশিক্ষার জন্য জ্ঞানের সকল তথ্য উপাত্ত পদ্ধতিগতভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতেই দেশজুড়ে গ্রন্থাগার।

জ্ঞান অর্জনের দিক থেকে চার প্রকারের গ্রন্থাগার রয়েছে। জাতীয় গ্রন্থাগার, গনগ্রন্থাগার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগার এবং বিশেষ গ্রন্থাগার। এছাড়াও পারিবারিকভাবেও তৈরি হয় গ্রন্থাগার।

গ্রন্থাগার সার্বক্ষনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষালাভের সুযোগ করে দেয়, মানুষের মধ্যে মূল্যবোধ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। সামাজিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং জাতিকে আরো সক্রিয় ও সচেতন করে তুলতে অনবদ্য ভ’মিকা রাখে গ্রন্থাগার।

দেশব্যাপী গ্রন্থাগারকে আরো আধুনিক এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কি পরিকল্পনা রয়েছে তা জানতে কথা হয় গনগ্রন্থাগার অধিদফতরের মহাপরিচালকের সাথে। তিনি জানান দেশের প্রতিটি জেলা শহরেও এই পরিকল্পনা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

গ্রন্থাগারে পাঠকদের আরো সমবেত করতে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের বিভিন্ন উদ্যেগের কথা জানান মহাপরিচালক আশিষ কুমার সরকার।

রাজধানীর গ্রন্থাগারগুলোর মত দেশের সবকটি গ্রন্থাগারে মনোরম পরিবেশ ফিরিয়ে আনলে পাঠকদের উপস্থিতি আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।