দেশের ২০ ভাগ তরুন-তরুনী-ই বিভিন্ন পর্যায়ে মাদকাসক্ত (ভিডিও)

0
125

মাহবুব সৈকত :

বেসরকারী পরিসংখান অনুযায়ী দেশের প্রায় ২০ ভাগের এক ভাগ তরুন-তরুনীই কোন না কোন ভাবে মাদকের ছোবলে আক্রান্ত। পারিবারিক জীবনের নানাবিধ কারনে হতাশা, আর সে সুযোগে কথিত বন্ধুদের দ্বারাই ক্ষতির মুখে পড়ে কিশোর কিংবা তরুনরা। এ সুযোগে অনুমোদিত কিংবা অনুমোদন বিহিন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে, এ বিষয়েও কঠোর নজরদারীর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজধানীর ঐতিহাসিক একটি উদ্যান। প্রভাব, দুপুর কিংম্বা সাঝে, নির্মল বায়ুতে মুক্ত স্বাশ ফেলতে কিম্বা নির্মল বিনোদনে মনের মানুষের সাথে মন খুলে কথা বলতে অনেকেই আসেন এখানে।

কিন্তুু সঙ্গির আব্দার মেটাতে এখানে এসে মাদকে হাতে খরির খবরও নতুন কিছু নয়। এভাবেই শুরু, গাজার সাথে এর পর ফেন্সিডিল,ইয়াবা, আইসসহ অন্যান্য মাদকের জালে জরিয়ে পরে অতি উৎসাহীরা।

বেসরকারী পরিসংখান অনুযায়ী দেশের প্রায় ২০ ভাগের এক ভাগই কোন না কোন ভাবে মাদকের ছোবলে আহত। জাতীসংঘের তথ্যমতে এদের মধ্যে পাচ ভাগের এক ভাগ ই, তবে উদ্ধেগের বিষয় হচ্ছে এ সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনক ভাবে।

প্রায় প্রত্যেকের গল্পই অভিন্ন, পড়াশুনা ভুলে বন্ধুদের পাল্লায় বাধা পড়েছে মাদকের মায়াবী জগতে। বেসরকারী একটি নিরাময় কেন্দ্রে এসে পাওয়া গেল এমন ই তথ্য। ব্যাক্তি এবং পারিবারিক জীবনের নানাবিধ কারনে হতাশা, আর সে সুযোগে উদ্ধারকারী ভুমিকায় এসে জীবনের সব চেয়ে ক্ষতিকরে দিয়েছে কথিত বন্ধুরা।

এর পর চাওয়া মাত্র ই পাওয়া, আগে থেকেই তৈরী থাকা শক্ত পোক্ত কোন মাদক চক্র দিবা- রাত্রির যে কোন সময় পৌছে দেয় গোলাপি পিল কিম্বা যে কোন মাদক।

মাদকের গহব্বরে সন্তানের তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একটা সময় বুঝতে পারে পরিবার. এ অবস্থা থেকে উদ্ধারে সবচেয়ে বড় বন্ধুর ভুমিকায় পাশে এসে ও দাঁড়ায় তারাই। জীবন থেকে হারিয়ে গেছে অনেকটা সময়। তবুও নিরাময় কেন্দ্র এসে আবারও স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্ন বোনে ভুলপথে পা বাড়ানো প্রজন্ম।

তবে চিকিৎসা নিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাওয়ার পরে সমাজের মানুষগুলো ইতিবাচক মনোভাব দেখালে জীবনকে আপন গতিতে ফিরেয়ে নেয়া সহজ হবে বলে ই মত ওদের। এই ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে জাতীকে বাঁচাতে মাদকের প্রবেশ যেমন ঠেকানো জরুরী। তেমনি ইতমধ্যে মাদকাসক্ত হয়ে পড়াদেরও চিকিৎসা আওতায় আনা অত্যাবশ্যক বলে মত দেন বিশ্লেষকরা।

মাদকের আসক্তি কাটাতে নিরাময় কেন্দ্রে রেখে চিকিৎসা যেমন প্রয়োজন তেমন পরবর্তীতে নিয়মিত পরামর্শ নেয়াও কম গুরুত্বপূর্ন নয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এ সুযোগে অনুমোদিত কিম্বা অনুমোদন বিহিন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে, এ বিষয়েও কঠোর নজরদারীর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। তবে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে সন্তানকে রক্ষায় অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতনতা পরামর্শ মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের।