দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়ালো, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ

0
476

করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে পাঁচ জনই ঢাকার। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০১ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪৯২ জনের। এতে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৯৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন প্রকাশে অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচডি)-এর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. শহিদুল্লাহ। 

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ আটজন এবং দুইজন নারী। তাঁদের বয়স ষাটোর্ধ্ব চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে চারজন এবং ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুইজন। এঁদের পাঁচজন ঢাকার, নারায়ণগঞ্জের চারজন এবং নরসিংদীর একজন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১০ জন এবং এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৮৫ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন বলে জানান তিনি। 

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে দুই হাজার ৭৭৯টি। এর মধ্যে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৪৯২ জন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী গাজীপুরে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। এই পরিমাণ ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। আর কিশোরগঞ্জে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং নরসিংদীতে ৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত মোট  দুই হাজার ৯৪৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর এ পর্যন্ত মোট ২৬ হাজার ৬০৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

আইসোলেশন প্রসঙ্গে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে আরো ৫৭ জনকে। আর এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশনে গেছেন ৭১৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪০ জন এবং এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন মোট ৫৭৭ জন।

বুলেটিনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হোম কোয়ারেন্টিনে গেছেন ৩০ হাজার ৮০৯ জন। আর এ পর্যন্ত মোট হোম কোয়ারেন্টিনে গেছেন এক লাখ ৪৯ হাজার ৬২৬  জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৮৮ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ৮৪৫ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন মোট ৭৫ হাজার ৮১২ জন।