দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ২,৩৮১ জন এবং মৃতের সংখ্যা ২২

0
430

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩৮১ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন ২২ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৮১৬ জন।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৫৩৪ জন করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর মোট মারা গেছেন ৬৭২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৫৯৭ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২২ জনের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ, ৩ জন নারী। এদের মধ্যে হাসপাতা‌লে ১৫ জন, বাসায় ৬ জন এবং হাসপাতালে আনার পর ১ জন মারা গেছেন। বিভাগের মধ্যে ১১ জন ঢাকা বিভাগের, ৮ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২ জন সিলেট বিভাগের এবং ১ জন বরিশাল বিভাগের। 

মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭ জন এবং ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন।

বুলেটিনে বলা হয়, দেশে এখন মোট ৫০টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ১০৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১১ হাজার ৪৩৯টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৩ লাখ ২০ হাজার ৩৬৯টি।

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৪৪৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৬ হাজার ২১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২২২ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ২৩৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ২ হাজার ৭০৭ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৯ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৫২ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৩ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৯ হাজার ১৩৬ জন।

আপনার সুস্থতা আপনার হাতে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান ডা. নাসিমা সুলতানা।