দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ২ হাজার ছাড়ালো

0
651

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন ১৫ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৫০০ জন।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজার ৩২১ জন করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর মোট মারা গেছেন ৫৫৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৫ জনের ১১ জন পুরুষ, ৪ জন নারী। আর বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৭ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জন। ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৬ জন এবং ঢাকা বিভাগের অন্য জেলা নারায়ণগঞ্জে ১ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম সিটিতে ২ জন, সিটির বাইরে চট্টগ্রাম জেলায় ২ জন, কক্সবাজারে ২ জন এবং কুমিল্লায় ২ জন।

মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ১ জন রয়ছেন।

বুলেটিনে বলা হয়, নতুন একটিসহ মোট ৪৯টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ২৬৭টি  নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৯ হাজার ৩১০টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ২ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬টি।

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ২৪৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৪ হাজার ৯৮৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৩৮ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৬৩৮জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৪ হাজার ১ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ১০৫ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৪০৪জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৮১২ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৮ হাজার ২৯৩ জন।

আপনার সুস্থতা আপনার হাতে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান ডা. নাসিমা সুলতানা।