দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আবারো সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু

0
334

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০২ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন সর্বোচ্চ ২১ জন। 

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৮৭০ জন করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩৪৯ জন।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২১ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ জন ও নারী ৪ জন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ জন, কুমিল্লা বিভাগে একজন ও রাজশাহী বিভাগে একজন রয়েছে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ছয়জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৫ জন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২১২ জন। এ নিয়ে সর্বমোট ৪ হাজার ৫৮৫ জন সুস্থ হয়েছেন। ব্রিফিংয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৭৮৮ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়।

দেশে এখন ৪১টি ল্যাবে (পরীক্ষাগার) করোনা পরীক্ষা করা হয়।

আইসোলেশন প্রসঙ্গে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরো ২৩১ জনকে। একইসময় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৯৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন তিন হাজার ৩৮৩ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক হাজার ৭০০ জন।

কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গেও তথ্য দেওয়া হয় বুলেটিনে। বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে এসেছেন তিন হাজার ৪১২ জন। একইসময় কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন দুই হাজার ৭৪১ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে গেছেন মোট দুই লাখ ৪৩ হাজার ৯৬০ জন। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৮৭২ জন। ছাড়ের পর বর্তমানে হোম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫০ হাজার ৮৮ জন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

করোনার ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।