দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে অস্ট্রেলিয়ার ৫ সাংদকে অযোগ্য ঘোষণা আদালতের

0
47

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী বার্নাবি জয়েসসহ পাঁচ সাংসদকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে দেশটির উচ্চ আদালত। কারণ দেশটির সংবিধানে দ্বৈত-নাগরিকদের নির্বাচনে অংশ নিতে নিষেধাজ্ঞা আছে। তাই নির্বাচনের সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার হাই কোর্ট তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দেয় আদালত।

অস্ট্রেলিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার সময়ও নিউজিল্যান্ডের নাগরিক ছিলেন জয়েস। তার সঙ্গে আরও চার সিনেটর ফিওনা ন্যাশ, ম্যালকম রবার্টস, ল্যারিসা ওয়াটারস ও স্কট লুডলামকেও একই ভাগ্য বরণ করতে হচ্ছে। যদিও এদের মধ্যে দু’জন আগেই পদত্যাগ করেছিলেন।

এর ফলে সিনেটে মাত্র এক ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকা ক্ষমতাসীনরা সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছে, বাধ্য হয়ে তাদেরকে পুনঃনির্বাচনের ডাক দিতে হবে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে সাংসদদের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক ঝড় তোলে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব আছে কি না, এই ব্যাপারে অসংখ্য সংসদ সদস্য জনসমক্ষে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বাধ্য হন।

রায়ের পর জয়েস বলেন আমি আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা একটি অসাধারণ গণতন্ত্রের মধ্যে বসবাস করি, যেখানে সবার জন্য ভারসাম্য আছে, আছে স্বাধীনতা। বিচারের জন্য আদালতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বিবিসি বলছে, অভিযুক্ত ৫ সিনেটর ছাড়া আরও দু্ই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে তদন্ত হয়েছিল। যদিও সিনেটর ম্যাট ক্যানাভান ও নিক জেনোফোনের পদে থাকতে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছে হাই কোর্ট।