ধোনিদের ১৫০ রানের টার্গেট দিল রোহিতরা

0
161

গোটা টুর্নামেন্টে বেশিভাগ ম্যাচেই যেখানে অধিনায়কেরা টসে জিতে প্রতিপক্ষকে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, উলটো পথে হেঁটে ফাইনালের মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচে রোহিত শর্মা টসে জিতে শুরুতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন৷

ধোনির মতো বিচক্ষণ অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়েদেন যে, তিনি টসে জিতলে প্রথমে ফিল্ডিংই করতেন, মুম্বই যে সুযোগটা তাদের উপহার দিয়েছে৷

দুই অধিনায়কের ক্রিকেট মস্তিষ্কের লড়াইয়ে শুরুতেই দৃষ্টিভঙ্গির যে তফাৎ লক্ষ্য করা যায়, তার প্রভাব দেখা যায় ম্যাচেও৷ রোহিত শর্মা চ্যালেঞ্জিং পিচে প্রথমে ব্যাট করে স্কোর বোর্ডে বড় রান তুলতে চেয়েছিলেন৷

চেন্নাইও অবশ্য খেতাবি লড়াইয়ে শুরুতেই মাথা নত করতে রাজি ছিল না৷ ধারাবাহিক উইকেট পতন সত্ত্বেও মুম্বই লড়াই করার মতো রসদ সংগ্রহ করল বলে মনে হলেও সিএসকে রোহিতদের নাগালের মধ্যে বেঁধে রাখল বলে উল্লেখ করাই শ্রেয়৷

ফাইনালে নির্ধারিত ২০ ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৮ উইকেটে ১৪৯ রানে আটকে রাখে সুপার কিংস৷ কায়রন পোলার্ড দলের হয়ে একক লড়াই চালালেও মুম্বইয়ের বাকি ব্যাটসম্যানরা তেমন একটা ছাপ ফেলতে পারেননি৷

কুইন্টন ডি’কক অবশ্য ইনিংসের শুরুটা করেছিলেন দারুণভাবে৷ চেন্নাইয়ের দুই তরুণ ভারতীয় পেসার শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহার দুরন্ত বোলিং করেন৷ ইমরান তাহির যতারীতি ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন৷ ওপেনিং জুটিতে ৪.৫ ওভারে ৪৫ রান তোলে মুম্বই৷ কুইন্টন ডি’কক ১৭ বলে ২৯ রান করে আউট হন৷

তিনি ৪টি ছক্কা মারেন৷ ওপেনিং জুটি ভাঙা মাত্রই পর পর উইকেট হারাতে থাকে মুম্বই৷ রোহিত শর্মা ১৫, সূর্যকুমার যাদব ১৫, ইশান কিষাণ ২৩, ক্রুণাল পান্ডিয়া ৭, এবং একবার জীবনদান পেয়ে হার্দিক পান্ডিয়া ১৬ রান করে আউট হন৷রাহুল চাহার ও ম্যাকক্লেনাঘান খাতা খুলতে পারেননি৷

পোলার্ড ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২৫ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ দীপক চাহার ২৬ রানে ৩টি, শার্দুল ঠাকুর ৩৭ রানে ২টি এবং ইমরান তাহির ২৩ রানে ২টি উইকেট দখল করেন৷