নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের কারণে অপরাধ কমেছে: ডিএমপি কমিশনার

0
138

এস কে লিটন:

নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের কারণে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কমেছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া।

তিনি বলেন, কোন বাজেট ছাড়াই পুলিশ নাগরিকদের তথ্য সংগ্রেহর কাজ করছে। ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংগ্রহের পর অপরাধ কমলেও, ডাটাবেজে কিছুটা গুরুত্ব কম দেয়ায় আবারও নগরবাসি কিছুটা হুমকির মুখে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সংগ্রহ করা তথ্যের মধ্যে ২ লাখ ৪১ হাজার ৫০৭ জন বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯৪ জন, মেস সদস্য ১ লাখ ২১ হাজার ৪০ জন, পরিবারের সদস্য ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২১ জন এবং ড্রাইভার ও গৃহকর্মী ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮৪ জন রয়েছেন।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ঢাকায় বসবাসরত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি আরো জোরদার করতে ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ পালন করছে ডিএমপি।

এরমধ্যে ঢাকায় ৫০টি থানাকে ৩০২টি বিটে ভাগ করে নাগরিকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করবে। এরপর ২১ জুন থেকে ডিএমপি সদর দফতর থেকে আটটি টিম আট বিভাগে ভাগ হয়ে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ক্রস চেক করবে। কোথাও কোনো ত্রুটি পেলে তারা সংশ্লিষ্ট বিট পুলিশকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসবে।

গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করে সিআইএমএস সফওয়্যারে সংরক্ষণ শুরু করে ডিএমপি। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে এর পাইলট প্রকল্প শুরু হয়।

এখন পর্যন্ত কোনো নাগরিকের তথ্য ফাঁস হয়নি জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, উন্নত বিশ্বের আদলে ডিএমপি প্রথমে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এখন অন্যান্য জায়গায়ও তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। কঠোর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মাধ্যমে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত তিন বছরে কোনো নাগরিকের তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।