নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস

0
77

শারমিন আজাদ:

আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ভাস্বর এ দিনটি। তবে অধিকার আদায়ের এ সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি।

নারী নেত্রীরা বলছেন, নিজেদের অধিকার আদায়ে শ্রমজীবী ও কর্মজীবী নারীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর সাফল্য ছিনিয়ে আনতে নারীদের বাড়াতে হবে জ্ঞানের পরিধি, বলছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল নারীরা।

মোহসীনা ও শারমিন পরিশ্রম করে রোজগার করে পরিবার চালান। তাদের মতো নারীরা সংসারে স্বচ্ছলতা বাড়াতে হাতে তুলে নিয়েছেন বেলচা-হাতুড়ি। কাটছেন মাটি। ভাঙছেন ইট। ভুলেছেন, গ্রামের ভিটেমাটি।

একটু ভাল থাকার আশায় এসেছেন স্বামীর হাত ধরে, নাম লিখিয়েছেন শ্রমিকের খাতায়। এইসব শ্রমজীবী নারীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস আন্তর্জাতিক নারী দিবসের।

১৮৫৭ সালে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার শ্রমকিরা। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯১০ সালে ডেনমার্কের এক নারী সমাবেশ থেকে ৮ মার্চ নারী দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

চাকুরি না করে অনেক সাহসী নারীর দৃপ্ত পদচারণা ব্যবসা ক্ষেত্রে। পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হিমশিম খেতে হয় অনেক নারী উদ্যোক্তাকেই।

তবে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে, তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করছেন নারী উদ্যোক্তা সংগঠনের পথিকৃৎ সেলিমা আহমেদ।

গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, খেটে খাওয়া নারীদের মতো মেধা খাটিয়ে জীবীকা নির্বাহ করেন অনেক নারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

বিশ্বের অনেক দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। আর কিছু দেশে এদিন শুধু নারীরাই সরকারি ছুটি উপভোগ করেন।