শারমিন আজাদ : দেশে বেসরকারি খাতে নারী উদ্যোক্তা আছেন মাত্র ১২ শতাংশ। তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েক জন বড় শিল্প উদ্যোক্তা, বাকিরা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। স্বাধীন ব্যবসায় নারীর অংশগ্রহণে বাধা কোথায়? উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, নিয়মের অনিয়ম ঘটছে তাদের ঋণ পাওয়া থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত।

খালেদা সুলতানা। ৫ বছর আগে পাটের তৈরি পণ্য নিয়ে শুরু করেছিলেন ব্যবসা। উদ্যোক্তা হতে গিয়ে প্রথমে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণের জন্য আবেদন করেও ব্যর্থ হন। তবে নানা প্রচেষ্টার পর ঢাকাতে ৩ কাঠা জমির দলিলপত্র জমা রাখার বিনিময়ে ঋণ পেয়েছিলেন তিনি।

অথচ, নিয়ম আছে, জামানত ছাড়া ঋণ দেয়ার। নিজস্ব পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করা মোমিনা সাদিককেও পোহাতে হয়েছে নানা প্রতিবন্ধকতা।

নারী উদ্যোক্তাদের ব্যাংক ঋণ পেতে কিংবা আমদানি-রপ্তানির সুযোগ পাওয়া কঠিন বলে জানালেন সফল নারী উদ্যোক্তা হেলেনা জাহাঙ্গীর।

এক্ষেত্রে যারা সফলতার সুখ দেখেছেন, তারা মানে করেন, অনেক সংগ্রামের পর সফলতার মুখ দেখেন নারী উদ্যোক্তারা। এছাড়া নিজে শিল্প উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার নজির খুব কম।

এখনো বেকারি, পোশাক কিংবা হস্তশিল্পে আটকে আছে নারী উদ্যোক্তাদের জগৎ। তবে অনেকে আসছেন শিপিং এর মতো ব্যবসায়ও। জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থেই এ অবস্থা ভেঙে নারী উদ্যোক্তা তৈরির চিত্র বদলে ফেলতে হবে, মনে করছে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন কে এম হাবিবুল্লাহ।