নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণ: ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের আদেশ বুধবার

0
336

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে হতাহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের বিষয়ে আদেশের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার সোমবার এ রিট আবেদন করেন। এতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নারায়ণগঞ্জের মেয়র, তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও এসপিসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়।

মঙ্গলবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, ব্যারিস্টার মার ই-য়াম খন্দকার।

গত ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার ওই মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন ৩৭ জন মুসল্লি। তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে এ পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

গত ৬ সেপ্টেম্বর এই ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পরে আদালত প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে আইনজীবীকে রিট আবেদন করতে বলেন।

এ অবস্থায় হাইকোর্টের সংশ্লিস্ট শাখায় রিট আবেদন দাখিল করা হয়। এরপর আবেদনটি সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

রিট আবেদনে বলা হয়, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দারা গ্যাস লাইনের লিকেজের বিষয়টি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন। কিন্তু তিতাস গ্যাসের স্থানীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ৫০ হাজার টাকা দাবি করে লাইন মেরামতের জন্য। সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।