নারীদের জন্য গাইবান্ধার কর্মপরিবেশ এখনও প্রতিকূল ও বৈষম্যময়

0
118

আফতাব হোসেন : নারীর উন্নয়ন ও বৈষম্য নিরসনে বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ দ্রুত অগ্রসর হলেও গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলায় এখনও নারী উন্নয়ন পিছিয়ে রয়েছে। পরিবার ও কর্ম পরিবেশে বিরাজ করছে নারী পুরুষের বৈষম্য।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, নারী পুরুষের সমতায় প্রয়োজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। আর আইন প্রণয়ণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নারী বৈষম্য রোধে সবধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার।

পরিবার, সমাজ কিংবা কর্মক্ষেত্র সবখানেই রয়েছে নারী-পুরুষের বৈষম্য। মানুষ হিসাবে নারী পুরুষের সমান অধিকার থাকলেও নানা অযুহাতে বঞ্চিত করা হচ্ছে নারীকে। আবার কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান কাজ করলেও অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নারীরা শ্রম বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকেন।

পুরুষের চেয়ে নারীদের শ্রমমজুরী কম দেয়ার কথা স্বীকার করেন স্থানীয় ইটভাটা মালিক । এমন সুযোগ নিচ্ছেন গৃহস্থ, দোকনপাট এবং কিছু কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও।

নারীদের সুযোগ সুবিধার কথা মুখে বললেও সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে হচ্ছে বৈষম্য। এধরণের বৈষম্য দূর করতে সিডিও সনদ অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও নারী সংগঠনগুলোকে আরোও বেশি দায়িত্বশীল ভুমিকা রাখা দরকার বলে মনে করেন নারী নেত্রীরা।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, শিক্ষা বা কর্মক্ষেত্রে এখনো নারীদের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়নি। যার ফলে সরকারের নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা থেকেই যাচ্ছে।

বর্তমান সরকার নারীর উন্নয়নে সবধরণের পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে সবক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকা রাখার আহবান জানান জাতীয় সংসদের হুইপ। সবাই মিলে ভাবো নতুন কিছু করো, নারী-পুরুষ সমতার নুতন বিশ্ব গড়ো- এ বছরে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নিয়েই সমভাবে এগিয়ে যাবে দেশ এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।