নির্বাচনের আগে এই বাজেট ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ

0
78

শারমিন আজাদ :

২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংসদ সদস্যদের বিবেচনার জন্য উত্থাপিত হচ্ছে আগামীকাল। বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ বাজেট এটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই বাজেট গুরুত্ববহ ভোটারদের কাছে।

এবারও ডিজিটাল পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে জাতীয় বাজেট। এ বাজেট উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে অর্থমন্ত্রী তার ব্যক্তিজীবনের ১২ তম বাজেট দিতে যাচ্ছেন। নয়া বাজেটের আকার প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজস্ব আয় তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ঘাটতি থাকবে এক লাখ ২৭ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। এ বাজেটে জনগণের উপর বাড়তি কোন কর আরোপ করা হবে না বলে এরইমধ্যে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য চালু করা হচ্ছে গৃহনির্মাণ ঋণ কর্মসূচি। এ খাতে প্রথমবারের মতো ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ রাখা হচ্ছে ১৩ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা। এছাড়া সরকারি চাকুরীজীবীদের বছরে ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট ধরে বেতন ভাতা খাতে রাখা হচ্ছে ৬৬ হাজার ২২৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি বেসরকারি চাকুরীজীবীদের জন্যও থাকছে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার রূপরেখা।

এই বাজেটে প্রথমবারের মতো ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে বিদ্যুতে। এ খাতে সম্ভাব্য ভর্তুকি ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। নির্বাচনের বছর হওয়ায় গ্রাহকের উপর বিদ্যুৎ বিলের চাপ কমাতে এ পথ বেছে নেয়া হয়েছে।

আসন্ন বাজেটে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি গুণতে হবে না। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা দাম বাড়লেও সরকারকে লোকসান দিতে হচ্ছে না। কৃষিতে স্বাভাবিক নিয়মে ভর্তুকি থাকবে।

বাজেট বরাদ্দে অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে স্থানীয় সরকার, পরিবহণ, শিক্ষা ও বিদ্যুৎ খাত। মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের বাজেটে।