নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সরকার বিএনপির বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবহার করছে

0
49

আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখার হীন উদ্দেশ্যেই সরকার বিএনপির বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা।

মঙ্গলবার সকালে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা দুর্নীতি দমন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকার আহবান জানান।

সন্দেহজনক লেনদেন নিয়ে যে অনলাইন পোর্টাল রিপোর্ট প্রকাশ করেছিলো তা ভিত্তিহীন উল্লেখ করে প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সক্রিয় নেতাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই সরকারের এমন চক্রান্ত। সামনে নির্বাচন তাই অশুভ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে সরকার। মোশাররফ আরো বলেন, এর আগেও খালেদা জিয়াসহ অনেকের নামে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন তারা।

সরকার দুদককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে উল্লেখ করে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমি সারা জীবনেও ৭ কোটি টাকা লেনদেন করছি কিনা জানি না। এটা সরকারের নোংরা রসিকতা, সম্মানহানির প্রয়াস।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, দলের মুখাপাত্র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

গতকাল সোমবার বিএনপি’র শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। তারা হলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

এছাড়াও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল এবং বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলও রয়েছে।