নিষিদ্ধ হলেও আশঙ্কাজনক হারে দেশে বেড়েই চলছে গর্ভপাত (ভিডিও)

0
196

সাইদুর রহমান আবির:

গর্ভধারণের প্রায় ২৮ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা নষ্ট করলে সেটাকে এবরশন বা গর্ভপাত বলে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, এবরশন বা গর্ভপাত নিষিদ্ধ হলেও এর সংখ্যা দিনে দিনে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলছে।

প্রায়শই বিভিন্ন অঞ্চলে ডাষ্টবিন টয়লেট এবং সড়কের আশপাশে দেখা যায় মৃত ভ্রণ এবং নবজাতক, ফেলে রাখা এসব বাচ্চার মধ্যে আবার কিছু জীবিতও পাওয়া যায়।

আর এবরশন পরবর্তী জটিলতায় বাড়ছে মাতৃ মৃত্যুর হার। বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিত কিশোরীদের এবরশন করানোর হার প্রায় ৩৮ ভাগ বেশি। এ নিয়ে এবারের মাই সার্চ।

পবিত্র সম্পর্কের বন্ধন থেকেই সূচনা হয় ভালোবাসা শব্দটির। যে শব্দকে আঁকড়ে ধরে একজন মানুষ একটি পরিবার কখনো কখনো গতিশিল হয় একটি সমাজ ব্যবস্থাও।

কখনো কখনো সেই ভালোবাসাই মানুষকে টেনে নিয়ে যায় অনৈতিক সম্পর্কের দিকে।
যার শিকার হয়ে প্রতিনিয়ত অবৈধ গর্ভপাতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিত কিশোরীদের ক্ষেত্রে অবৈধ গর্ভপাতের হার প্রায় ৩৮ শতাংশ বেশি।

আর অবৈধ গর্ভপাতে একজন নারীর মৃত্যুর সম্ভবনা ৯০ শতাংশ। আর এসব অবৈধ গর্ভপাতে পৃথিবীতে আসা নবজাতকদের লোক চক্ষুর অড়াল করতে বেশির ভাগ সময়ই ফেলে দেয়া হয় সড়কের পাশে টয়লেটে কিংবা ডাষ্টবিনে।

এবার এক নবজাতককে মৃত অবস্থায় টয়লেটের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে, দেখুন এলাকাবাসী কিভাবে উদ্ধার করলো এই নবজাতকটিকে।

অনৈতিক এই কাজের কারন তুলে ধরলেন সমাজ ও অপরাধ বিজ্ঞানীরা। আর এর থেকে সমাজকে রক্ষা করতে বিভিন্ন পরামর্শও দেন তারা।

এজন্য ভালোবাসার সম্পর্কের বন্ধন সুদৃঢ় করতে সম্পর্কের পবিত্রতা বজায় রাখার পাশপাশি এর উপর সচেতনতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা।

মৃত্যুর কোলে ঢোলে পারে একটি অনাগত ভবিষ্যৎ আবার কখনো কখনো শিকার হন মাও। বলি হতে হয় নিষ্পাপ অসংখ্য শিশুদের। তেমনি অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো এই শিশুকে নরসিংদীর বেলাবো এলাকার একটি বাথরুমে থেকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী।