নিয়ন্ত্রণহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নষ্ট হচ্ছে ব্যক্তিজীবনের গোপনীয়তা

0
321

মুবাল্লিগ করিম : প্রযুক্তির উৎকর্ষতার এই যুগে মানুষের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ন অংশ হয়ে উঠছে ভার্চুয়াল জগত। ফেসবুক যেমন অপরিচিতদের কাছে আনছে, তেমনি দূরে সরিয়ে দিচ্ছে পরিবারের অন্য স্বজনদের। নিয়ন্ত্রণহীন ইউটিউব তুলে ধরছে অজানা অনেক কিছু, তেমনি নষ্ট করছে ব্যক্তিজীবনের গোপনীয়তা। এই আসক্তি কারো কারো ক্ষেত্রে এতটাই ভয়ঙ্কর যে নিতে হচ্ছে চিকিৎসা।

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘সাইবার থ্রেট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সরকার ভার্চুয়াল জগতের যে কোন কন্টেন্ট সরিয়ে দেয়া কিংবা ব্লক করতে পারবে। ফলে দেশ থেকে ওই কন্টেন্ট দেখা যাবে না।

সম্প্রতি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, এবছরের শেষের দিকেই বাংলাদেশ ফেসবুক ও ইউটিউবে হস্তক্ষেপের সক্ষমতা অর্জন করবে। সাইট বন্ধ না করেও ওই সাইটের স্ট্যাটাস, কমেন্ট, ভিডিও বন্ধ করার সক্ষমতা অর্জন করবে সরকার।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কোন প্রক্রিয়ায় ফেসবুক বা ইউটিউবে হস্তক্ষেপ করবে? এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, নিজেদের সক্ষমতায় পর্নোসহ ২২ হাজার সাইট বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় ফেসবুক- ইফটিউবের মত স্যোশাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা ফিল্টারিং করতে পারবে।

মন্ত্রীর আশাবাদ সরকারের এই উদ্যোগ দেশের সামাজিক নীতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জ্যপূর্ণ নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনা সুনিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।