পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৮১ ভাগ এবং মূল সেতুর প্রায় ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন: ওবায়দুল কাদের

0
305

পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮১ শতাংশের বেশি এবং মূল সেতুর প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

শুক্রবার পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক সভায় সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

স্প্যান বসানো নিয়ে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩১টি বসানো হয়েছে। বর্তমানে সেতু দৃশ্যমান হয়েছে ৪ হাজার ৬৫০ মিটার। ৪২টি পিয়ারের কাজ এরইমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নদী শাসনের কাজ প্রায় ৮৪ শতাংশ শেষ হয়েছে।  মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে সংযোগ সড়ক ও টোল প্লাজার কাজও শেষ হয়েছে বলে জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা হতে মাওয়া এবং পাচ্চর হতে ভাঙ্গা পর্যন্ত দেশের প্রথম দৃষ্টিনন্দন এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবেন।

এ সময় পদ্মা সেতু প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ‘এ মাইলফলক প্রজেক্টের সঙ্গে আপনারা সংযুক্ত থাকছেন বলে আপনারা গর্ববোধ করবেন। সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে আহ্বান জানাই। প্রকল্পের ইমেজ ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনও কাজ কেউ করবেন না। এটি সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প।’

তিনি বলেন, সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনও আর্থিক সংকট নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকতে এ প্রকল্পে আর্থিক সংকট হবে না। বাজেটে পদ্মা সেতুর জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রয়েছে। 

তিনি জানান, করোনাকালে এক মুহূর্তের জন্যেও পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ থেমে থাকেনি  দেশের অন্যান্য উন্নয়ন গতিতে যখন ছন্দপতন তখনও সেতুর ওপর বসেছে একের পর এক স্প্যান। করোনা মহামারির শুরু থেকে প্রকল্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি জনবল স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ এগিয়ে নেওয়ার যে দক্ষতা দেখিয়েছেন এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।  

রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন আইনের সংশোধন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। এ বিষয়ে সরকারের কোনো বক্তব্য নেই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, সরকারের কোনো বক্তব্য থাকলে সরকারও নির্বাচন কমিশনকে জানাবে। সুষ্ঠু, অবাধ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে ভবিষ্যতেও সংবিধান অনুযায়ী সরকার সহযোগিতা করবে। এটা সরকারের দায়িত্ব।