মৃত্যুর দশ বছর পরও অমর পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসন

0
300

মুবাল্লিগ করিম:

মাইকেল জ্যাকসনকে ডাকা হতো পপ কিং নামে। মাত্রাতিরিক্ত প্রপোফল সেবনে ২০০৯ সালের আজকের দিনে ৫০ বছর বয়সে তিনি মারা যান। আজ সেই পপ কিং-এর দশম মৃত্যুবার্ষিকী।

মাইকেল জ্যাকসন একাধারে একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী, অভিনেতা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী। পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল বিক্রিত অ্যালবামের সংগীত শিল্পীদের তিনি অন্যতম। তার স্মরণকথা  রিপোর্টে।

পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন মারা গেছেন ১০ বছর হয়ে গেল। এখনো তাঁকে নিয়ে বিশ্বের অগণিত মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। কারণ, গানের ভুবনে তিনি অনন্য।

মাইকেল জ্যাকসন মারা যান ২০০৯ সালের ২৫ জুন। তাঁর বয়স তখন ৫০। বেঁচে থাকলে এ বছর ৬১ বছরে পা দিতেন তিনি। জীবন তাঁকে হাত ভরে দিয়েছিল ঐশ্বর্য। পেয়েছিলেন ১৫টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড।

লাখো ক্যাসেট আর সিডি বিক্রি হয়েছে তাঁর। মাইকেল জ্যাকসন শুধু গান-গাওয়া তারকা ছিলেন না তিনি ছিলেন একাধারে গীতিকার, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেতা। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি বদলে দিয়েছিলেন সংগীতবিশ্ব।

মাইকেল জ্যাকসন দাঁড়িয়েছিলেন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে। ১৯৮২ সালে তাঁর বিলি জিন, এরপর থ্রিলার তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল উচ্চতায়। তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন সংগীতশিল্পী, যিনি এমটিভিতে এতো জনপ্রিয়তা পান।

বলা হয়, তার গাওয়া গানের ভিডিওর মাধ্যমেই এমটিভির ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। গানের তালে তালে মাইকেলের নাচের কৌশলগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। তার জনপ্রিয় নাচের মধ্যে রয়েছে রোবোট ও মুনওয়াক।

১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকান একটি পরিবারে জন্ম হয়েছিল মাইকেল জ্যাকসনের। তার ডাকনাম ছিল ওয়াকো জ্যাকো। কিন্তু নামটি খুবই অপছন্দ ছিল জ্যাকসনের।

১০ ভাই-বোনের মধ্যে অষ্টম ছিলেন মাইকেল জ্যাকসন। মাত্র চার বছর বয়স থেকে গান গাওয়া শুরু করেন মাইকেল জ্যাকসন। পাঁচ বছর বয়সে প্রথম জনসমক্ষে গান করেন। ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে ব্যান্ডদল দ্য জ্যাকসন ফাইভ। ব্যান্ডটির সদস্য ছিলেন মাইকেল ও তার চার ভাই। ১৯৭১ সাল থেকে মাইকেল একক শিল্পী হিসাবে গান গাইতে শুরু করেন।