পরাজিত মেসির বিষাদগাথায় অবসরের ভাবনা

0
58

স্বপ্নভঙ্গ! কাজান স্টেডিয়ামের মাঠই হয়তো শেষবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেললেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি। ১-০, ১-১, ১-২, ২-২, ৩-২ এবং শেষ পর্যন্ত ৪-২!

এবং ম্যাচের শেষ দিকে ফের ৪-৩! টেনিসের স্কোরের মতো ফলাফল বারবার বদলাল। তবে ম্যাচে একচেটিয়া আধিপত্য দেখিয়েই জিতল ফ্রান্স।

আপফ্রন্টে গ্রিঁজম্যান, এমবাপে, জিরৌ। মাঝমাঠে কন্টে, মাতৌদি। রক্ষণে ভারানে, উমতিতি। দল হিসবে অনেক এগিয়ে থেকেই ম্যাচ শুরু করেছিল ফ্রান্স।

ফ্রান্সের সামনে আর্জেন্টিনার জেতার কথা ছিল না। জেতেও নি। মার্কাডো, বানেগা, পেরেজরা পাল্লা দিতেই ব্যর্থ ফ্রান্সের পেসের সামনে।

প্রথম গোলে ভুল ছিল রোহোর। আগের ম্যাচে আইসিইউ-তে ঢুকে যাওয়া দলের সামনে অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।

শনিবার, তিনিই যেন অক্সিজেনের নল খুলে নিলেন, হ্যাঁচকায়। এমবাপে, গ্রিঁজম্যানদের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে সমস্যায় পড়ছিলেন মাসচেরানো, রোহোরা।

এমনই এক পেসের সামনে নাকানি চোবানি খেয়েই গোল হজম করে বসেছিল আর্জেন্টিনা। রোহো বক্সের মধ্যে এপবাপেকে ফাউল করতে পেনাল্টি দিতে দেরি করেননি। সেখান থেকেই ফ্রান্সকে ১-০ লিড এনে দেন গ্রিঁজম্যান।

এরপরে বিরতির আগেই মেসিদের ম্যাচে ফিরিয়েছিল ডিমারিয়ার অবিশ্বাস্য জোরালো শট। বিরতির পরে ব্যবধান বাড়িয়েছিল মার্কাডো। মেসির শট দিকভ্রষ্ট হয়ে হুগো লরিসকে ফাঁকি দিয়ে গোলে ঢুকে যায়।

২-১’এ এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনাকে যখন বিপজ্জনক দেখাতে শুরু করেছে। তখনই ছন্দপতন। অবিশ্বাস্য সোয়ার্ভিং শটে সমতা ফেরান রাইট ব্যাক পাভার্ড।

সমতায় ফিরতেই মিইয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। ৬৬ ও ৬৮ মিনিটে দু’মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করে যান এমবাপে।

পিএসজি-তে নেইমারের সঙ্গে খেলা ১৯ বছরের ফরাসি তারকা যে বিশ্ব ফুটবলের ‘নেক্সট বিগ থিঙ্গ’ তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এরপরে ম্যাচের সংযোজিত সময়ে সাবস্টিটিউট হিসেবে নামা আগুয়েরো গোল করে কেবল ব্যবধানই কমান।