পরিবেশ আইনে ধুলা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকলেও বাস্তবায়ন নেই

0
141

শারমিন আজাদ:

বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ ধুলা। ধুলাবালি একদিকে যেমন মানুষের জন্য স্বাস্থ্য হানিকর, তেমনি তা পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। পরিবেশ বাঁচাতে সবার আগে ধূলাবালি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, মনে করছেন সাধারণ মানুষ।

পরিবেশ আইনে ধুলা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকলেও তার বাস্তবায়ন নেই। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগও জোরালো নয়, এমন চিত্রই ধরা পড়েছে নিয়ম অনিয়মের অনুসন্ধানী টিমের ক্যামেরায়।

ধুলায় অতিষ্ট নগরবাসী

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী। ফ্লাইভারের ওভারের সুফল ভোগ করলেও দিনের অধিকাংশ সময়ই যানবাহনের ধুলা বালিতে আচ্ছন্ন থাকছে এলাকা। শুধু যাত্রীবাড়ী নয়, গোটা রাজধানীর প্রায় একই অবস্থা।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকার ৯০ শতাংশ মানুষ বাযুদূষণের নির্মম শিকার। ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বে বায়ুদূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারত ও বাংলাদেশে। বাযুদূষনের ফলে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লাখ ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই ধুলায় ঢেকে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। নিঃশ্বাসের সাথে ঢুকে পড়ে ধুলা। নাকে রুমাল বা মাস্ক পড়ে চলাচল করে মানুষ।

রিপোর্টার: শারমিন আজাদ

ঘরবাড়ি নির্মাণ কাজ ও রাস্তাঘাট সংস্কারের থেকে ধুলাবালি ছড়ায় আশেপাশের এলাকায়। এ অবস্থায় নির্দিষ্ট উন্নয়ন সংস্থা ,যারা রাস্তাঘাট খোঁড়াখুড়ি করছে, তাদের দায়িত্ব নেবার কথা ধুলা নিয়ন্ত্রণে। এমনটাই নিয়ম আছে পরিবেশ আইনে জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।

ধুলা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের দাবি, নিয়ম করে পানি দেওয়া হচ্ছে প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে। তারপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ধুলার দাপট জানান ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকতা খান মোহাম্মদ বিল্লাল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকলে ধূলা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়তো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।