প্রকাশ্যে পশু জবাই, বিরুপ প্রভাব ফেলেছে শিশু-কিশোরদের মনে

0
69

শারমিন আজাদ :

প্রকাশ্যে পশু জবাইয়ে আতংকিত শিশু-কিশোরদের মনে বিরুপ প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া ফুটপাতে পশু জবাইয়ের কারণে অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছে পরিবেশও। দোকানিরা কোন ভেটেরেনারী চিকিৎসক ছাড়াই করছে জবাই। মাংস ব্যবসায়ীরা স্বীকার করলেন, এসবের নিয়ম থাকলেও কেউ তা মানে না।

এ নিয়ে নিয়ম অনিয়মের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করছেন ।

খলিলের মাংসের দোকান। এ এলাকার জনপ্রিয় দোকান। মাই টিভির ক্যামেরা দেখেই সরে পড়েছেন খলিল। কারণ তিনি দোকানের সামনেই পশু জবাই করেন। আর সেই দৃশ্যদেখে সেখানে চলাচল করা স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিশুরা।

শিশুদের এরকম অভিযোগও টলাতে পারেনি মাংস ব্যবসায়ীদের প্রকাশ্যে পশু জবাই। কেন এমন করেন, প্রশ্নের জবাবে তারা দিলেন নানা অজুহাত।

এক দোকানে খলিলকে না পেয়ে পাওয়া গেল তার ভাই জলিলকে। জলিল বললেন, জবাই করা হয় নির্ধারিত স্থানে। সেখানে পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল দোকানের এক কর্মচারী। তবে যাওয়ার পর দেখা গেল অন্য চিত্র। বাড়িওয়ালা শুরু করলেন অসদাচারণ ও গোপনীয়তা।

বোঝা গেল বাড়িওয়ালার আপত্তিতে গোডাউনে পশু জবাই করা হয় না।

এ তো গেল প্রকাশ্যে নিয়ম ভাঙা। আর দোকানের ভিতরে পশু জবাইয়েও পাওয়া গেল অনিয়ম। নেই চিকিৎসক। মাংস ব্যবসায়ী জানালেন কি কি নিয়ম আছে পশু জবাইয়ের, আর কি কি মানা হয় না।
প্রকাশ্যে জবাই বন্ধ করার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের । এসব তদারকিতে তাদের ভূমিকাই বা কি?