প্রথম বলেই সাজঘরে তামিম 

0
80

আফগানদের দেয়া ১৬৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরের জবাবে খেলতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরে গেছেন দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির সিরজের প্রথম খেলায় প্রথমে ব্যাট করে আট উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান সংগ্রহ করে আফগানরা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদ। এছাড়া ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সামউল্লাহ সেনোয়ারি। শেষ দিকে টর্নেডো ইনিংস উপহার দেন শফিকুল্লাহ। মাত্র ৮ বলে ২৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন আফগান এ তরুণ।

এছাড়া উসমান গনি ২৬, অধিনায়ক আসগর স্টনিকজা ২৫ রান করেন। রোববার ভারতের দেরাদুনের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে আফগানিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাচ্ছিলেন আফগান দুই ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদ ও উসমান গনি। তাদের এই জুটি কোনোভাবেই ভাঙ্গা যাচ্ছিল না। অবশেষে এই জুটি ভাঙেন পেস বোলার ‍রুবেল হোসেন।

ইনিংসের ৯ম ওভারে দলীয় ৬২ রানে উসমান গনিকে (২৬) বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান রুবেল। শুরু থেকে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে যাওয়া শেহজাদকে সাজঘরে ফেরান সাকিব আল হাসান। ১২তম ওভারে দলীয় ৮৬ রানের মাথায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন এ পিঞ্চ হিটার।

সাজঘরে ফেরার আগে ৩৭ বলে পাঁচ বাউন্ডারিতে ৪০ রান করেন আফগান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। সাকিব আল হাসানের আঘাতের পর আফগান শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

১৪তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই সফলতা পান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলে নজিবুল্লাহ জাদরান এবং পঞ্চম বলে আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবিকে ফেরান রিয়াদ।

নজিবুল্লাহ ২ রান করলেও রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি আফগানিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী। মাত্র ৬ বলের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপের মুখে পড়ে যায় আফগানিস্তান। শেষ ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলে দেয়া সামউল্লাহ সেনোয়ারিকে সাজঘরের পথ দেখান তরুণ পেস বোলার আবু জায়েদ রাহি।

প্যাভেলিয়নে ফেরার আগে ১৮ বলে তিন চার ও তিন ছক্কায় ৩৬ রান করেন সেনোয়ারি। সাত নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা শফিকুল্লাহ নিজের ইনিংসের শুরু থেকেই গেইল স্টাইলে ব্যাটিং করে যান।

মাত্র ৮ বলে তিন ছয় এবং এক চারের সাহায্যে ২৮ রান করা ২৮ বছর বয়সী এই আফগানকে বোল্ড করেন মুস্তাফিজুর রহমানের ইনজুরির কারণে সুযোগ পাওয়া আবুল হাসান রাজু।

বাংলাদেশ দলের হয়ে মাহমুদউল্লাহ ও আবুল হাসান দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া সাকিব, রুবেল ও আবু জায়েদ রাহী একটি করে উইকেট নেন।