আতিকুর রহমান তিতাস:

ফেলে আসা ছেলেবেলায় ফিরে যেতে চান না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। গ্রামীন সেই কানামাছি গোল্লাছুট খেলা যখন অনেকের স্মৃতিপটে অম্লান, তখন বর্তমান প্রজন্মের শিশু কিশোররা ব্যস্ত ইউটিউব ফেসবুক ও গেমিং নিয়ে।

এক সময়ের তিন গোয়েন্দা আর চাচা চৌধুরির কমিকস ছুঁয়ে দেখার সময় কোথায় তাদের। এভাবেই প্রযুক্তির কারাগারে বন্দী নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠছে একাকীত্বের এক কঠিন সমীকরণে।

হারিয়ে যাচ্ছে আগের খেলাধুলার পরিবেশ। আগের প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা সময় পেলেই মাঠে গিয়ে খেলতো এখন অনেকটাই হারিয়ে গেছে সেই দৃশ্য। বর্তমান প্রজন্ম ব্যস্ত ভাচুয়াল খেলা নিয়ে।

কয়েক বছর ধরে কমিকস বা বই পাওয়াই যায় না নতুন প্রজন্মের কাছে। তারা কোচিং ও ক্লাস নিয়ে এতো ব্যস্ত থাকে যে কমিকস ও বই পড়ার সময়ই তাদের কাছে নেই।

তারা সময় পেলেই ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে শুরু করে। বই ও কমিকসের পরিবর্তে নেটে ভার্চুয়াল গেমস খেলে সময় অতিবাহিত করে।।

বিশ্লেষক: আতিকুর রহমান তিতাস

এই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য স্কুলের পাশে মাঠ রাখার পরামর্শ বিশ্লেষকদের। তবে সরকারি স্কুলের পাশে মাঠ থাকলেও বেসরকারি স্কুলে তেমন মাঠ নেই। তাতে খেলা থেকে বঞ্চিত হয় শিশুরা।