প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি, প্রাচীন পন্থাতেই চলছে ডাকঘর

0
70

শারমিন আজাদ :

ডাক বিভাগের উপর ভরসা কোটি কোটি মানুষের। কিন্তু এই বিভাগটি চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। পর্যাপ্ত অবকাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেই। নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন লাখ লাখ টাকা লেনদেন করা পোস্ট মাষ্টাররা। গ্রাহকদের অভিযোগ, আন্তরিকতা নেই ডাকঘরের কর্মচারীদেরও। নিয়ম অনিয়মের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ চিত্র।

এক সময় রানার ছুটতেন চিঠির থলে নিয়ে। সুখ-দু:খ, হাসি-কান্নার কত খবর পৌছে দিতেন অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকা মানুষের হাতে। রোদ-ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তুলে দিতেন মানি অর্ডারের টাকা।

এখন তথ্য প্রযুক্তির সুবাদে কমেছে চিঠির আবেদন। ডাক বিভাগের আন্তরিকতাও যেন হারিয়ে গেছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের অংশ হিসাবে ডাক বিভাগেও পরিবর্তন আসার কথা। কিন্তু সেই দৌড়ে পাল্লা দিয়ে পারছে না ডাক অধিদপ্তর।

ডাক অধিদপ্তরই স্বীকার করেছে, উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি রাজধানীরই অনেক পোস্ট অফিসে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল, জরাজীর্ণ দশা ডাক ঘর ও উপ-ডাক ঘরের। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টের ডাক ঘরের একই অবস্থা।

ঈদের আগে ভিড়, বিদেশে পার্সেল পাঠানোর বিভাগে। কিন্তু সেখানে নিয়মমাফিক লাইনে না দাড়িয়ে সবাই কাউন্টারের ভেতরে। কেন এই অনিয়ম?

পার্সেল পাঠাতে এসে গ্রাহকরা হঠাৎই জেনেছেন ফি বাড়ার কথা। ওয়েবসাইটে এ তথ্য দেয়া নেই বলে অভিযোগ তাদের। পোস্টমাষ্টাররা জানালেন, সীমাবদ্ধতার কথা।

লোকবলের অভাবেই হোক, আর দক্ষতার অভাবেই হোক, সেবার মান বাড়ছে না ডাক বিভাগে। তাই সার্ভিস চার্জ কম হওয়ার পরও গ্রাহক টানতে পারছে প্রাচীনতম এই বিভাগটি।

তবে ১৪ শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দু’বছরের মধ্যে উন্নয়নের আভাস দিলেন ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।