সাইদুর রহমান আবির:
প্রশ্নপত্র ফাঁস, বাংলাদেশে এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ভর্তি পরীক্ষা, চাকুরীর নিয়োগ পরীক্ষা এবং সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাগুলোতে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে প্রশ্নপত্র।

আর এই সমস্যা সমাধানে কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। তাই পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে এমসিকিউ বাতিল করার চিন্তা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন শিক্ষাবিদরা।

মাল্টিপল চয়েস কোসেন্সসে বহু নির্বাচনী প্রশ্ন এমসিকিউ, সহজ আর নম্বর তুলতে সুবিধা হওয়ায় খুব দ্রত জনপ্রিয়তা পেয়েছে পরীক্ষার এই পদ্ধতিটি।

তবে সাম্প্রতিক বিষয়ের পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাসের প্রায় সব ঘটনায়ই এমসি্িকউ পদ্ধতির অপব্যবহার হয়েছে।প্রশ্নপত্র ফাসের পর খুব দ্রুত এই পদ্ধতিতে উত্তরগুলো পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

এছাড়া কয়েকটি ঘটনায় পরীক্ষার হলের দায়িত্বরত শিক্ষকরাও অনৈতিকভাবে এমসিকিউ পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মহলে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশের সব পাবলিক পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি বাতিল করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর এর কারণ হিসেবে অভিযোগ করা হচ্ছে এ পদ্ধতির সুযোগ নিয়ে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হচ্ছে।

রিপোর্টার: সাইদুর রহমান আবির

এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদদের মাঝে। কিছু শিক্ষাবিদরা এমসিকিউ বাতিলের বিপক্ষে থাকলেও আবার কিছু শিক্ষাবিদ এর পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে এমসিকিউ বাতিল করলেও যে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হবে, তার নিশ্চয়তা দিতে পারলেন না এই শিক্ষাবিদরা।

পরীক্ষা পদ্ধতি আধুনিক করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টরা আরো স্বচ্ছ এবং আন্তরিক হলে এই সমাধান বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।