প্রেমের টানে বিয়ে ও বিচ্ছেদ ঘটে যেসব বলিউড তারকাদের

0
72

দীর্ঘ দিন একে অপরের সঙ্গে মেশার পরই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু জীবনের শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে পারেননি।

কেউ মিউচুয়ালি তো কেউ অনেক লড়াই-ঝগড়ার পর ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। এই বলিউড তারকাদের একদা প্রেমের সম্পর্ক বদলে শকিং ডিভোর্সে।

সাইফ আলি খান-অমৃতা সিংহ:

সাইফ আলি খান নিজেও ব্রোকেন ম্যারেজের যন্ত্রণার ভুক্তভোগী।

অন্য ধর্মে নিজের বয়সের চেয়ে অনেক বড় অমৃতা সিংহে বিয়ে করায় তাঁদের লাভ স্টোরি ছিল বলিউডের একেবারে প্রথম সারিতেই।

পরিবারের মতো না থাকলেও ১৩ বছর তাঁরা এক সঙ্গে ছিলেন। তারপর তাঁরা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন। কারিনা কাপূরের সঙ্গে বিয়ে হয় সাইফের।

কারিশমা কাপূর-সঞ্জয় কাপূর:

অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ব্রেক আপ হওয়ার মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই সঞ্জয় কাপূরের সঙ্গে বিয়ে হয় কারিশমা কাপুরের।

১৩ বছর তাঁরা এক সঙ্গে ছিলেন।আর এই ১৩ বছরের সম্পর্ক মোটেই সুখকর ছিল না।

অনেক লড়াই-ঝগড়ার পর সাইফ আলি খানের মধ্যস্থতায় ২০১৬ তাঁদের ডিভোর্স হয়।

আমির খান- রীনা দত্ত:

১৯৮৬ সালে দু’জনের বিয়ে। তার ১৫ বছর পর ডিভোর্স। কেন ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত?

আমিরের জীবনে তখন কিরণ রাওয়ের গুরুত্ব বাড়ছিল। সেটা মানতে পারছিলেন না রীনা।

২০০২ সালে আমির-রীনার ডিভোর্স হয়। ২০০৫ সালে কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির খান।

হৃতিক রোশন-সুজান খান:

প্রথম ফিল্ম রিলিজের কয়েক মাস পরেই ছোটবেলার বন্ধু সুজানকে বিয়ে করেন হৃতিক রোশন।

তবে সবাইকে চমকে দিয়ে বিয়ের ১৩ তম বিবাহ বার্ষিকীতেই তাঁরা আলাদা হওয়ার কথা ঘোষণা করেন।

তারও ৪ বছর পর ২০১৪ সালে তাঁদের ডিভোর্স হয়। তবে ছেলেরাই তাঁদের প্রথম গুরুত্ব। তাদের জন্য হৃতিক-সুজানকে এক সঙ্গে সময় কাটাতেও দেখা গিয়েছে বহুবার।

কমল হাসান-সারিকা:

দীর্ঘ দিন লিভ-ইন রিলেশনে থাকার পর এবং প্রথম সন্তান শ্রুতি হাসান ও দ্বিতীয় সন্তান আকসারা হাসানের জন্মের পর বিয়ে করেন তারা।

দীর্ঘ সময় মেশার পর অবশেষে দুই সন্তানের জন্মের পর ১৯৮৬ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। আর ২০০৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।

কিশোর কুমার-যোগিতা বালি:

জীবনে তৃতীয় বারের জন্য প্রেমে পড়েছিলেন অভিনেতা এবং গায়ক কিশোর কুমার।

১৯৭৬ সালে তাঁরা বিয়ে করেন। এর আগে তাঁর জীবনে ছিলেন রুমা গুহ ঠাকুরতা এবং মধুবালা।

তবে তৃতীয় প্রেমও খুব বেশি দিন টেকেনি।

বিয়ের মাত্র দু’বছরের মধ্যেই যোগিতা-কিশোরের বিচ্ছেদ হয়। তারপর লীনা চন্দ্রভারকারকে বিয়ে করেন কিশোর কুমার। যোগিতার বিয়ে হয় মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে।

মনীষা কৈরালা- সম্রাট দাহাল:

দীর্ঘদিন সিঙ্গেল থাকার পর ২০১০ সালে মনীষা কৈরালা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

সম্রাট দাহালকে বিয়ে করেন। তবে সেই বিয়ে বেশি দিন টিকবে না আভাস দেন মনীষা নিজেই।

খুব তাড়াতাড়ি তার আভাস পাওয়া যায় মনীষার ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন ‘আমার স্বামী আমার শত্রুতে পরিণত হয়েছে’ থেকে। ঠিক দু’বছরের মাথায় ২০১২ সালে তাঁদের ডিভোর্স হয়।

মালাইকা অরোরা-আরবাজ খান:

১৮ বছর এক সঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালে দু’জনে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৭ সালে তাঁদের মিউচুয়াল ডিভোর্স হয়। তাঁদের সন্তান মালাইকার কাছে থাকে।

তবে আরবাজ চাইলেই তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

ফারহান-অধুনা:

অভিনেতা, পরিচালক, গায়ক ফারহান ২০০০ সালে বিয়ে করেন অধুনাকে।

১৬ বছর এক সঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালে তাঁরা মিউচুয়াল ডিভোর্সের আবেদন করেন।

এর পর অবশ্য ফারহানের সঙ্গে শ্রদ্ধা কাপূরের নাম জড়ায়। আর সাবেক স্ত্রী অধুনার সঙ্গে দিনো মারিয়ার ভাই নিকোলের সম্পর্ক নিয়ে চর্চা শুরু হয়।

করণ সিংহ গ্রোভার-জেনিফার উইনজেট:

ছোট পর্দার মোস্ট লাভড‌্ জুটি ছিলেন তাঁরা। ২০১২ সালে বিয়ে হয় তাঁদের।

তবে বিপাশা বসুর সঙ্গে ২০১৫-র ‘আলোন’ ছবিতে অভিনয় করা থেকেই দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে।

সম্পর্কের পরিণতি হয় ডিভোর্স। ২০১৬ সালে বিপাশা বসুর সঙ্গে বিয়ে হয় করণের।