ফাইজারের টিকার প্রথম চালান পৌঁছালো কানাডায়

0
122

ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকার প্রথম চালান রবিবার কানাডায় পৌঁছেছে। স্থানীয় সময় রবিবার রাতে ভ্যাকসিনের ডোজ নিয়ে একটি কার্গো বিমান কানাডায় অবতরণ করেছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এই তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

রবিবার রাতে এক টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো লিখেছেন, ফাইজার এবং বায়োএনটেকের প্রথম ব্যাচের কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ কানাডায় এসে পৌঁছেছে। ওই টুইট বার্তার সঙ্গে তিনি একটি কার্গো বিমানের ছবি যুক্ত করেছেন। মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার এবং এর অংশীদারী জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি ভ্যাকসিনের ডোজ ওই বিমানে করেই সরবরাহ করা হয়েছে।

ট্রুডো বলেছেন, ‘করোনার টিকা কানাডায় এসেছে, এটা একটা ভালো খবর। তাই বলে করোনার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই শেষ নয়।’

যুক্তরাজ্যের পর পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে চলতি সপ্তাহে প্রথম কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রেই করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সম্প্রতি দেশ দু’টিতে করোনা ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা বেলজিয়ামে উৎপাদন করা হচ্ছে। সেখান থেকে গত শুক্রবার টিকার চালানের যাত্রা শুরু হয়। জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র হয়ে টিকার চালান কানাডায় আসে।

প্রাথমিকভাবে কানাডার ১৪টি স্থানে ৩০ হাজার ডোজ করোনার টিকা সরবরাহ করা হবে। শুরুতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে এই টিকা দেওয়া হবে।

গত বুধবার ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনার টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা হেলথ কানাডা। তারা জানায়, টিকাটি নিরাপদ, কার্যকর ও ভালো মানের বলে প্রমাণ পাওয়ায় তা ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কানাডা সরকার ইতিমধ্যে এই টিকার দুই কোটি ডোজের ক্রয়াদেশ দিয়ে রেখেছে। প্রয়োজনে তারা আরও টিকা কিনবে।

কানাডার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ।

কানাডায় এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশটিতে করোনায় মারা গেছে ১৩ হাজার ৪৩১ জন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার প্রয়োগ শুরু হতে পারে। প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে আগেই এই টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে। আরও কয়েকটি দেশ টিকাটির অনুমোদন দিয়েছে।