ফেনীতে ওভারপাস নির্মাণ শেষ ২৫ দিনের মধ্যে : সড়কমন্ত্রী

0
60

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীতে রেল ওভারপাস নির্মাণের জন্য ক্রমাগত যানজটের ভোগান্তির পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী ২৫ দিনের মধ্যে ওভারপাসের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

রোববার সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা জানান। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলমান যানজট নিরসনের দাবিতে সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাস না চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুর এলাকায় রেল ওভারপাস নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। সেখানে জনদুর্ভোগ হচ্ছে। দীর্ঘ যানজট হচ্ছে। প্রতিদিন মিডিয়ায় খবর আসছে।’ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তিনটি রেল ওভারপাস হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তিনটির মধ্যে কুমিল্লারটি কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। আরেকটি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকায় সেটা কোনো সমস্যার কারণ হচ্ছে না। সেটার কাজও শেষ হওয়ার পথে।

আরেকটি হচ্ছে ফেনীতে, ফেনীর রেল ওভারপাসটি একেবারেই প্রথম অবস্থায় কাজ স্লো হওয়ায় পিবিএল থেকে নিয়ে আমরা সেনাবাহিনীতে কাজটি দিয়েছি।’ ‘কারণ এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে আমরা যদি আবার টেন্ডার করতে যাই তাহলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ব্যাপার। সেজন্য ডিপোজিট ওয়ার্ক হিসেবে, ডেলিগেটেড ওয়ার্ক হিসেবে সেনাবাহিনীকে দিয়েছি। সবগুলোর কাজও মোটামুটি শেষ হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা প্রবলেমে পড়ে গেছি ফেনী ওভারপাস নিয়ে, যেখানে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। আমি আপনাদের জানাচ্ছি, সেনাপ্রধান নিজেই বিষয়টি তদারকি করছেন। এই রেল ওভারপাসের দুটি লেন রয়েছে, একটি পার্ট ১৫ মে উদ্বোধন হবে। এতে যানজট ও ভোগান্তি রিডিউসড হয়ে যাবে। ঈদের আগে তারা সম্পূর্ণ কাজটি সমাপ্ত করবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সেনাবাহিনী আমাদের কথা দিয়েছে এই ঈদের আগে রোজার মধ্যে ওভারপাস নির্মাণ কাজ কমপ্লিট হয়ে যাবে। আগামী ২৪/২৫ দিনের মধ্যে তারা পুরো কাজটি শেষ করবেন।’ ‘এখন যানজটের কারণে আমাদের পণ্য পরিবহন বিঘ্নিত হচ্ছে। বিকল্প কোনো বাইপাস করারও সুযোগ সেখানে নেই। সেই কারণে আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখিত’ বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি আশা করি এখানে (ফেনীতে ওভারপাস নির্মাণস্থলে) ঈদের সময় ভোগান্তি আর থাকবে না। আর কয়েকটি দিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ করছি।’

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেন হলেও এই মহাসড়কের কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতু দুই লেনের জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘নির্মাণাধীন দ্বিতীয় কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতুর কাজ বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে জাপানিরা। এখানে ভালো খবর হচ্ছে, এই তিনটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই আগামী ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। এবং এই তিনটি ব্রিজ নির্মাণের প্রাক্কলিত ব্যয় সাড়ে ৭০০ কোটি টাকা কমে যাবে।