রাকিব হাসান :

যোগাযোগ ক্ষেত্রের এক অনন্য মাইলফলক হচ্ছে ফ্লাইওভার। বিগত ৯ বছরে রাজধানীতে চালু হয়েছে ছোট-বড় ৬টি ফ্লাইওভার। যার সুবিধা ভোগ করছে নগরবাসী। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় একই সাথে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্মানাধিন রয়েছে একাধিক ফ্লাইওভারের কাজ। ফ্লাইওভাগুলোকে দেশবাসীর জন্য আর্শিবাদ স্বরুপ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বড় কিংবা পুরোনো শহরগুলোতে নতুন রাস্তা তৈরীর বিকল্প হিসেবেই নির্মানকরা হচ্ছে ফ্লাইওভার।
ক্রমবর্ধমান যানবাহনের সংকুলানের জন্য এই পদক্ষেপটিকে অত্যন্ত যুগোযোপী বলে মনে করছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মামুরুর রশিদ।

২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর বর্তমান সরকার সারাদেশে ফ্লাইওভার নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নেয়। একের পর এক রাজধানীতে নির্মান করা হয় যাত্রাবাড়ি গুলিস্তান মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, কুড়িল বহুমুখী ফ্লাইওভার, বিমানবন্দর-মিরপুর রাষ্ট্রপতি মো: জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার, মিরপুর-বনানী ওভারপাস, বিজয় সরনি-তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল সংযোগ সড়ক ও রেলওয়ে ওভারপাস এবং তেজগাঁও-মগবাজার-মৌচাক-শান্তিনগর ফ্লাওভার।

মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সুশান্ত কুমার পাল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নিজের অভিজ্ঞতার কাথা জানান তিনি।

যে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছিল তার পুরোটাই বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মনে করেন এই প্রকৌশলী।

সাধারণ মানুষের দাবী কর্মঘন্টা বাড়ার পাশাপাশি জীবন যাত্রার মানকেও অনেকগুন বাড়িয়ে দিয়েছে রাজধানীর ফ্লাইওভারগুলো।

যোগাযোগ ক্ষেত্রের উন্নয়নে অন্যতম সংযোজন হচ্ছে ফ্লাইওভার। বর্তমান সরকারের দুই মেয়াদে খোদ রাজধানীতেই ছোট বড় ৬টি ফ্লাইওভার নির্মান করা হয়েছে । যার সুবিধা ভোগ করছে সাধারন মানুষ, ফলে কমছে জনদুর্ভোগ।