বউয়ের হাতে মার খাওয়া অসহায় পুরুষের পরিত্রাণের ৭ উপায়

0
74

পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হাতে নারীকে যে পরিমাণে নির্যাতিত হয়, তার বিরুদ্ধে সব রকম ভাবে রুখে দাঁড়ানো প্রয়োজন। তবে কখনও-সখনও ঢের কম সংখ্যায় হলেও, এর উল্টোটাও কি ঘটে না?

চার দেওয়ালের ভেতরে অত্যাচারিত হয় পুরুষও। ‘ ভয়ঙ্করী বেগম এর কাছে উঠতে-বসতে ঝাড় খায়, সপ্তাহে এক-আধ বার মারও জোটে কপালে! কিন্তু তখন তার পাশে কে দাঁড়ায়?

স্বভাবতই লজ্জায় এসব কথা মুখ ফুটে পরম বন্ধুকেও বলে উঠতে পারে না অসহায় পুরুষ। নইলে পৌরুষের অভাবে ঠাট্টার পাত্র হতে হয় তাকে। তাহলে করণীয় কী? নিচের ৭টি উপায় অবলম্বন করলে পরিত্রাণ মিলতে পারে।

১। এই নিয়ে পুরুষের জন্য সরাসরি কোনও আইন নেই। তবু এমন ঘটনা ঘটলে থানায় ডায়েরি করা যেতে পারে। তাতে বিরাট লাভ কিছু না হলেও, পরে বড়-সড় সমস্যার সৃষ্টি হলে, সুবিধা মিলবে।

২। একই ঘটনা বার বার ঘটলে একাধিক বার ডায়েরি করে রাখা উচিত।

৩। শারীরিক বা মানসিকভাবে অত্যাচারিত হচ্ছেন, এই মর্মে আইনি নোটিশ পাঠাতে পারেন অত্যাচারিত স্বামীর আইনজীবী।

৪। দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারিত হতে থাকলে, জুডিশিয়াল সেপারেশনের পথেও হাঁটা যেতে পারে।

৫। স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে, নির্দিষ্ট সময় পরে ডিভোর্সের মামলা করা যায়।

৬। তবে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে গেলে, ডিভোর্সের পথে যাওয়ার আগে অবশ্য করণীয় হল তাকে ব্যক্তিগত চিঠি লিখে ফিরে আসার অনুরোধ করা। না ফিরলে তার ভরন-পোষণ বাবদ টাকা পাঠানোও। এতে অন্তত এটুকু প্রমাণ করা সম্ভব হবে যে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর প্রাথমিক দায়বদ্ধতাটুকু ছিল।

৭। পীড়িত পুরুষ বিষয় নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এনজিও-র সঙ্গে যোগাযোগ করা। তাদের থেকেও প্রয়োজনীয় সাহায্য পাওয়া যেতে পারে।