সুস্বাদু বগুড়ার দইয়ের খ্যাতি দেশে-বিদেশে, বাড়ছে কর্মসংস্থান

0
95

লতিফুল করিম ও নূর মোহাম্মদ:

বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষের তিথি আপ্যায়নে বগুড়ার দইয়ের ব্যবহার পুরোনো রেওয়াজ। খাটি দুধ দিয়ে তৈরী দই পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হওয়ায় অতিথিদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

বগুড়ার দই দেশ বিদেশে যেমন প্রশংসীত হয়েছে তেমনি বিভিন্ন অঞ্চলের হাজারো বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

মুখরোচক ও সুস্বাদু দইয়ের কথা বলতে গেলে সবার আগেই আসে বগুড়ার দইয়ের কথা। যা এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে স্থান করে নিয়েছে বিদেশেও।

ঠিক কত সাল থেকে এই দই তৈরি শুরু হয় তার সঠিক কোনা দিন তারিখ কেউ বলতে না পারলেও ধারণা করা হয়, প্্রায় দেড়শ বছর আগে এর যাত্রা।

পরবর্তীতে বগুড়ার নবাব আলতাব আলীর পৃষ্টপোষকতায় ঘোষ পরিবারের সদস্য গৌর গোপাল নামের এক ব্যক্তি বগুড়া শহরের নবাব বাড়ি এলাকায় এই দই উৎপাদন শুরু করেন ।

গরুর খাটি দুধ দিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় দক্ষ কারিগরের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয় এই দই। পুষ্টিগুণ, সুস্বাদু আর গুনগত মানে ভালো হওয়ায় ১৯৩৮ সালের দিকে বগুড়ার দইয়ের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে থাকে নানা প্রান্তে।

জনশ্রতি রয়েছে, তৎকালিন বিটিশ গর্ভনর সারজন আন্ডারসন ছাড়াও বগুড়ার দইয়ের প্রশংসা করেন রানী এলি জাবেদসহ অনেকেই।

বগুড়ার ইতিহাস গবেষক বজলুল হক জানান, এক সময় ছোট পরিসরে তৈরি হলেও কালক্রমে এই দই উৎপাদন এখন, নিয়েছে বাণিজ্যিক রূপ। বেড়েছে কর্মসংস্থান।

অতিথি আপ্যায়নে জুড়ি নেই এই সুস্বাদু দইয়ের। শুধু তাই নয়, দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে এটি চলে যাচ্ছে বিদেশেও। প্রতিদিন প্রায় ৩০ লাখ টাকার দই বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লষ্টরা।