বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে মৃত্যুর ঘটনায় ৪ জন আটক

0
81

বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে ১৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শহরের ফুলবাড়ি এলাকার পি এম (পারুল মেডিকেল) হোমিও ল্যাবরেটরির অন্যতম মালিক ও সদরের ছোট কুমিড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ নুরুন্নবী (৫৮), শহরের গালাপট্টি এলাকার হাসান হোমিও হলের কর্মচারী ও শহরের আকাশতারা এলাকার বাসিন্দা আবু জুয়েল (৩৫), গালাপট্টি এলাকার মুন হোমিও হলের মালিক আবদুল খালেক এবং করতোয়া হোমিও হলের মালিক ও শহরের নাটাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহিদুল আলম (৫৫)।

পুলিশ আটজনের লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অন্যরা স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে। তবে নিহতের স্বজনরা বলছেন, মৃত্যুর আগে তারাও (নিহত) বিষাক্ত মদ পান করেছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছি। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার পর আমরা ২ দিন ধরে একটানা কাজ করছি। এখনও অভিযান চলছে। এর মধ্যে সদর থানার টিম ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। যারা এর সঙ্গে মূল জড়িত, আমাদের তদন্তে যাদের নাম এসেছে, তাদেরকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিজ বড়। পারুল হোমিও ল্যাবরেটরিজ থেকেই মূল সাপ্লাইটা হয়।’

পুলিশ সুপার আলী আশরাফ আরও  বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে আমরা যেটা বুঝতে পেরেছি, রেকটিফাইট স্পিরিট এর সাথে মিথানল মেশালে সেটি বিষ হয়ে যায়। সেরকম ঘটনাই ঘটেছে। তবে রেকটিফাইট স্পিরিট এবং মিথানল দেখতে একই রকম হওয়ায় ক্রেতারা বুঝতে পারে না। যে কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে মিথানলে কালার মেশালে দুটো দুই কাজে ব্যবহৃত হবে। তখন এটি শনাক্ত করা সহজ হবে। ক্রেতারাও কিনবে না।’