বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেমে যায় থানা স্বাস্থ্য ক্লিনিক, যা আজকে কমিউনিটি ক্লিনিক নামে পরিচিত

0
175

মানিক লাল ঘোষ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই লক্ষ্য নির্ধারন করেছিলেন বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে চেয়েছিলেন ঢেলে সাজাতে। স্বাস্থ্যসেবাকে জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আজকের কমিউনিটি ক্লিনিক বঙ্গবন্ধুর থানা স্বাস্থ্য ক্লিনিকেরই রুপান্তর।

কাংখিত স্বাধীনতা অর্জনের পর যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ পুর্নগঠনে বঙ্গবন্ধু শুরু করে এগিয়ে চলা। একটি সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে জাতির পিতার ভাবনায় তখন হত দরিদ্র দু:খী বাঙালির মুখ্য । স্বাস্থ্য সেবাকে তৃনমুলে পৌছে দিতে গড়ে তোলেন থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেস্ক।

স্বাস্থ্য সেবাখাতের উন্নয়নে পাবলিক পার্টনারশীপের ভাবনাও বঙ্গবন্ধুর। ব্যক্তি জীবনে চিকিৎসকদের প্রতি অনেক ভালবাসা ও ছিল বাঙালির এই স্বপ্ন দ্রষ্টার।

১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাস্থ্যখাতসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন থমকে যায় স্বাধীন বাংলাদেশের। আগামীর পথ চলায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন্ বাস্তবায়নে স্বাস্থখাতকে আরো গুরুত্ব দেবে সরকার শোকার্ত আগষ্টে এমন প্রত্যাশা চিকিৎসক সমাজের।