বাংলাদেশে বায়ুদূষণে প্রতিবছর ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ মারা যায়

0
56

বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ ধুলা। ধুলাবালি একদিকে যেমন মানুষের জন্য স্বাস্থ্য হানিকর, তেমনি তা পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। পরিবেশ বাঁচাতে সবার আগে ধূলাবালি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, মনে করছেন সাধারণ মানুষ। পরিবেশ আইনে ধূলা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকলেও তার বাস্তবায়ন নেই। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগও জোরালো নয়

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী। ফ্লাইভারের ওভারের সুফল ভোগ করলেও দিনের অধিকাংশ সময়ই যানবাহনের ধুলা বালিতে আচ্ছন্ন থাকছে এলাকা। শুধু যাত্রীবাড়ী নয়, গোটা রাজধানীর প্রায় একই অবস্থা।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকার ৯০ শতাংশ মানুষ বাযুদূষনের নির্মম শিকার। ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বে বায়ুদূষনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারত ও বাংলাদেশে। বাযুদূষনের ফলে প্রতিবছর বাংলাদেশে ১ লাখ ২২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে।

শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই ধুলায় ঢেকে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। নিশ্বাসের সাথে ঢুকে পড়ে ধুলা। নাকে রুমাল বা মাস্ক পড়ে চলাচল করে মানুষ।

ঘরবাড়ি নির্মান কাজ ও রাস্তাঘাট সংস্কারের থেকে ধুলাবালি ছড়ায় আশেপাশের এলাকায়। এ অবস্থায় নির্দিষ্ট উন্নয়ন সংস্থা ,যারা রাস্তাঘাট খোঁড়াখুড়ি করছে, তাদের দায়িত্ব নেবার কথা ধুলা নিয়ন্ত্রণে। এমনটাই নিয়ম আছে পরিবেশ আইনে।

ধুলা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের দাবি, নিয়ম করে পানি দেওয়া হচ্ছে প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে। তারপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না ধুলার দাপট। পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকলে ধূলা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বাড়তো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।