বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক সই

0
141

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহর বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান প্রেসিডেন্ট সলিহ। তাঁকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সলিহ একান্ত বৈঠক করেন। পরে করেন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। এরপর দুই নেতার উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অপর দিকে সলিহ মালদ্বীপ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়।

পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য যৌথ কমিশনের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক ছিল। তাতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও মালদ্বীপের পররাষ্টমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহিদ। দ্বিপক্ষীয় ফরেন অফিস কনসাল্টিংয়ের জন্য সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব স্বাক্ষর করেন।

মৎস্য ও পেলেজিক ফিশিংয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও মালদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী স্বাক্ষর করেন।

পাশাপাশি ২০২২-২০২৫ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ হাসান ও ও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ শহিদ সই করেন।

এর আগে বুধবার সকালে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মুহামেদ সলিহ। প্রথমে সাভারের স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এরপর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখেন। বুধবার বিকেলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও বিকেলে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে একটি বৈঠক এবং নৈশভোজের কথা রয়েছে। এরপর রাতেই দেশে ফিরে যাবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।