রাসায়নিক ছাড়া ফসল পোকামাকড় মুক্ত রাখার প্রযুক্তি পৌঁছেনি কৃষকের হাতে। ফলে কৃষকরা কীট ঠেকাতে ব্যবহার করছেন কীটনাশক। আর সেই কীটনাশক খাচ্ছি বাধ্য হয়েই।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতি দিনের খাদ্য তালিকায় শাক সবজি রাখার নেই বিকল্প। কিন্তুু তরতাজা এ সব শাকসবজি খেয়ে সুস্থতার বদলে অসুস্থ হবার খবর শোনা যাচ্ছে প্রায়ই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মাঠের ফসল পোকার আক্রমন থেকে মুক্ত রাখতে ব্যবহৃত হচ্ছে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ।

বিকল্প ব্যবস্থা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উদাসীনতার কারণে তা পৌছছেনা কৃষকের হাতে।
কৃষকের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে মাঠে হাসে সোনালী ফসল।

দেশের বাজারগুলো পরিপূর্ণ শাক শব্জিতে,তরতাজা এ সব শাকসবজি দেখে চোখ জুরালেও খাদ্য হিসেবে কতটুকু নিরাপদ তা নিয়ে ক্রেতাদের মনে রয়েছে নানা শঙ্কা। জাতীসংঘের খাদ্য ও কৃর্ষি সংস্থার গবেষনা অনুযায়ী বাজারে সরবরাহকৃত শাকসবজির ৪০ ভাগেই রয়েছে ক্ষতিকর রাসায়ানিক।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে আদৌ কি তারা অবগত আছেন কৃষকরা। তবে ফসল ফলানোর নিরাপদ পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নন তারা।

শের ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক প্রফেসর ড. এএফএম জামাল উদ্দিন জানান, ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়াও সুস্থ্য রাখা যায় ফসল, আছে সে উপায়ও। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কৃষকদের দোড়গোড়ায় এই প্রযুক্তি দ্রুত পৌছানোর পরামর্শ দিলেন এই বিশেষজ্ঞ। বক্তব্য অনুযায়ী কেমিক্যালমুক্ত ফসল পেতে অামাদের অপেক্ষা করতে হবে অনিদৃষ্ট সময়।

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কৃষি বিপ্লবের সুফল সুসংহত থাকবে বলে সকলের প্রত্যাশা।