শারমিন আজাদ :

নির্মাণ কাজে গাফিলতির কারণে ডেবে যাচ্ছে অনেক মহাসড়ক। বিটুমিনের বদলে ইট-বালু দিয়েই মেরামত চলে মহাসড়ক ও সড়কে। সঠিক মাত্রার বিটুমিনাস ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। খোদ সড়ক ও মহাসড়ক অধিদপ্তরই জানায়, বৃষ্টির সময় বিটুমিনাস ব্যবহার করা হয় না।

পুরানো কার্পেটিং না তুলে অপরিকল্পিতভাবে তার উপর নতুন কার্পেটিং করায় উচ্চতা বাড়ছে সড়ক মহাসড়কের উচ্চতা। এতে প্রতিবছরই নীচে চলে যাচ্ছে আশেপাশের ঘরবাড়ি। এভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পড়বে রাজধানীবাসী। রাস্তাগুলোই দাঁড়িয়ে যাবে বাঁধ হিসেবে, সৃষ্টি করবে জলাবদ্ধতা। এমনই অভিমত সত্ত্বেও নিজেদের মতো করেই রাস্তার কার্পেটিং চলছে। ফলে বিরক্ত সাধারণ মানুষ।

ঢাকা থেকে বের হওয়া মহাসড়কের ভাঙাচোরা রাস্তাতেই চলছে যানবাহন। মাটি দিয়ে ধামাচাপা দেয়ার কাজ করছে সড়ক বিভাগ। এই রাস্তার উপরই হবে আবারও কার্পেটিং। সড়ক ও মহাসড়কগুলো বিটুমিনাস দিয়ে কার্পেটিং করার কথা। থাকার কথা ৮০/১০০ বা ৬০/৭০ মাত্রার বিটুমিনাস। এতে সুঠাম হবে রাস্তা, হবে দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগী। এমন কথা থাকলেও তা সবসময় মানতে পারছে না, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

এদিকে রাস্তা টেকসই না হওয়ায় বার বার হচ্ছে কার্পেটিং। ফলে প্রতিবছরই বাড়ছে রাস্তার উচ্চতা।
টেকসই রাস্তা নির্মাণে পাথরের ঢালাইয়ের পক্ষে অনেক বিশেষজ্ঞ। তাদের মতে, গাথুনি শক্ত করা হলে বার বার কার্পেটিং এর দরকার পড়বে না। ফলে সমান্তরালেই থাকবে রাস্তা আর পার্শ্ববর্তী বাড়ি।

যদিও রোডস এন্ড হাইওয়েজর দাবি, দেবে যাচ্ছে ঢাকা চট্টগ্রামের মতো বড় মহাসড়ক। তাই প্রায় প্রতিবছরই কার্পেটিং করে সমতায় আনা হচ্ছে রাস্তাগুলোকে। তবে বারে বারে কার্পেটিং-এর বাড়তি ওজনে কতটা দেবে যাচ্ছে রাস্তা, তা নিয়ে কোন বিস্তারিত গবেষণা নেই কোন প্রতিষ্ঠানের।