বিএনপি আসা না আসা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত নির্বাচন হবে যথা সময়ে: প্রধানমন্ত্রী

0
79

সরকারের কিছুই করার নেই, বিএনপির নির্বাচনে আসা না আসা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত, তবে সময়মত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেই এবং ৫ জানুয়ারীর মত আগামী নির্বাচনও ঠেকাতে পারবে না।

বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে সাত ধারা বাতিলের পাশাপাশি দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ফেরারি আসামী তারেক রহমানকে বিএনপির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব দেয়ার সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেরেককে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার প্রসঙ্গ ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপিতে দেখি অনেক নেতা আছেন; যারা দেখি কর্মঠ। তাদের মধ্যে থেকে কি একজনকেও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন করা যেত না? কারও কি যোগ্যতা ছিল না?

বিএনপির অন্য নেতাদের উপর খালেদা জিয়ার আস্থা নেই বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। বিএনপির কি এত দৈন্যদশা? বিএনপির চেয়ারপরসনের কি অন্য কারও ওপর ভরসা নেই?

এই প্রসঙ্গে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নিজে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জিল্লুর রহমনাকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো বোনকে বা ছেলেকে করিনি। গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে জিল্লুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত করার নির্দেশ দেই।

বিএনপির গঠনতন্ত্র প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, বিএনপির একটি গঠনতন্ত্র আছে, ওটার কোনো খোঁজও পাওয়া যায় না।

খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের আগেই বিএনপির গঠনতন্ত্রের একটি ধারা সংশোধনের সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা, যে ধারায় আদালতে দণ্ডিত কারও কারও বিএনপির সদস্যপদ না পাওয়ার শর্ত ছিল।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ৩২ ধারা নিয়ে সাংবাদিকদের শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, বিবেচনা করার অনেক সুযোগ আছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।