বিকেলের মধ্যে উন্মুক্ত স্থানের অনুষ্ঠান শেষ করতে বললেন ডিএমপি কমিশনার

0
49

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে রাজধানী জুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিকেল ৫ টার মধ্যে উন্মুক্ত স্থান থেকে সকল অনুষ্ঠান সমাপ্তি করার আহবান জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া।বৃহস্পতিবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. অাছাদুজ্জামান মিয়া আসন্ন পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা জানান।

বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের দিনটি মানুষ উৎসব মুখর পরিবেশে পালন করবে। তাই নগরবাসী যাতে নির্বিঘ্নে এদিনটি পালন করতে পারে তার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নগরীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রমনা, টিএসসি, শাহবাগ, হাতিরঝিলসহ অনুষ্ঠানে অাসার প্রতিটিস্থল ট্রাফিক নিরাপত্তাসহ নেয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

রমনা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সিসি ক্যামেরার অাওতায় থাকবে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় থাকবে নিরাপত্তা বেস্টনি।তিনি জানান, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের থ্রেট নেই। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অাইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, বাঙালির প্রাণের মেলাকে কেন্দ্র করে পুরা নগরী অাইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তার বলয়ে থাকবে। বিশেষ করে শাহবাগ, টিএসসি, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যান চলাচল বিধিনিষেধের অাওতায় থাকবে। সাধারণ মানুষ যাতে অনুষ্ঠানস্থলে নির্বিঘ্নে অাসতে পারে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দীতে প্রবেশের জন্য মোট ৬টি গেইট থাকবে। প্রতিটি প্রবেশ গেইটে অার্চওয়ের মধ্য দিয়ে সবাইকে প্রবেশ করতে হবে। তাছাড়া দেহ তল্লাশীর ব্যবস্থাও থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ড ব্যাগ, ট্রলি, ভ্যানিটি ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ, পটকা, দিয়াশলাই, গ্যাস লাইট বহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, পোশাকধারী অাইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাদা পোশাকে টহলরত থাকবে। ঐদিন মুসলমানদের ধর্মীয় শবে মেরাজের দিন থাকায় ধর্মীয় ইবাদত বন্দেগীর দিক চিন্তা করে নগরের উন্মুক্ত স্থানের (রবীন্দ্র সরোবর ব্যাতীত) সকল অনুষ্ঠান বিকেল ৫ টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চারুকলা থেকে নির্দিষ্ট সময়ে শোভাযাত্রাটি বের হবে। যারা অংশগ্রহণ করবে তাদের সবাইকে নিরাপত্তার বেস্টনির ভেতর দিয়েই যেতে হবে। মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হওয়ার পর রাস্তা থেকে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। কেউ কোনো মুখোশ পরিধান করতে পারবে না। কোনো বিজ্ঞাপনের স্টিকার বহন করে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। কোনো ভুভুজেলা বাজানো বিক্রি ও বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানস্থলে নাগরিকদের জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে সুপেয় পানি, বাতাসার ব্যবস্থা থাকবে। ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হবে।