বিগত ১০ বছরে হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছ ২৮৮৩টি (ভিডিও)

0
175

রাকিব হাসান : মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে স্বাস্থ্য অন্যতম। প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রত্যন্ত অঞ্চলে তৈরী করা হয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক, বিনামুল্যে দেয়া হচ্ছে ৩০ প্রকারের ওষুধ। দেশের প্রতিটি বিভাগে গড়ে তোলা হবে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে গ্রহন করা হলেও এখনও সরকারি ভাবে চালু হয়নি স্বাস্থ্যবীমা।

বাংলাদেশে স্বাধীনতা উত্তর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সাফল্যের শুরু বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে। স্বাস্থ্যকে জনগনের মৌলিক অধিকার হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করে এ খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করেন তিনি।

পচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেমে যায় এই উন্নয়নের ধারা। দীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতায় এসে বাবার পথ অনুসরন করে জনগনের দোড় গোরায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে কাজ করছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিগত ১০ বছরে সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছ ২৮৮৩টি যেখানে শয্যা সংখ্যা বেড়েছে ৬১২৩৯টি।

স্থাপন করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২য় ইউনিট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হয়েছে ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। স্থাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন বেশ কয়েকটি নতুন স্পেশালাইজড হাসপাতাল।

গত ১০ বছরে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১৫ হাজার ২২১ জন ডাক্তার, ২০ হাজার ৩৭৪ জন ষ্টাফ নার্স এবং ১১৪৯ জন মিডওয়াইফ। প্রতিটি মানুষকে স্বাস্থ্য সেবার আওতায় আনার লক্ষে দেশজুড়ে কার্যকর রয়েছে ১৪০০ কমিউনিটি ক্লিনিক।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবমতে বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ুু এখন ৭২ বছর, যা ২০০০ সালে ছিল ৬৫.৩ বছর। কমেছে মাতৃ ও শিশু মুত্যুর হার। 

পিছিয়ে নেই ইউনানী, হারবাল কিংবা হোমিও পেথি চিকিৎসাও। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড এর চেয়ারম্যান ডা. দীলিপ রায় বলেন।  বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিজ্ঞার বাস্তাবায়ন হিসেবে স্বাস্থ্য খাতেও শুরু হয়েছে ডিজিটালাইজেশন।

স্বাস্থ্য সেবায় অসামান্য সাফল্যের স্বিকৃতি স্বরুপ বাংলাদেশ অর্জন করেছে আন্তর্জাতিক পুরষ্কার। বর্তমান সরকারের হাত ধরেই সুস্থ জাতি হিসেবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ঘটিয়ে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ।