বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে এখনও কাটেনি ঈদের রেশ

0
112

টুনু তালুকদার ও হুমায়ুন আহমেদ : ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিনোদন কেন্দ্রে ভীড় এখনো কমেনি। ঈদ শেষ হলেও ঈদের রেশ রয়ে গেছে মানুষের মাঝে। তাই পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দিনভর আনন্দে কাটাচ্ছেন ভ্রমনপিপাসুরা।

কিশোর, তরুণ-তরুণী, শিশুদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশে সিলেট, প্রকৃতিক অপরুপ সুন্দর্যের লিলা ভূমি সিলেটে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন পর্যটন পিপাশুরা। সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষের পদচারনায় কোলাহলমুখর হয়ে উঠে ঈদ আনন্দ।

সিলেট নগরীর ওসমানী শিশু উদ্যান, ড্রিমল্যান্ড, অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড, এক্সেলসিওর চা বাগানসহ বিভিন্ন বিনোদন পার্কে জড়ো হন সিলেটবাসী। এছাড়াও সুরমানদীরে তীরেও বিনোদনপ্রত্যাশীরা ভিড় করেন।

অপর দিকে ঈদের ছুটি পেয়ে স্বপরিবারে ছুটে এসেছেন সিলেটের গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।
যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলতে প্রায় কয়েক লক্ষাধিক ভ্রমন পিপাসু আসছে প্রকৃতি কন্যা জাফলং, জল পাথরের বিছনাকান্দি, সোয়াম ফরেষ্ট রাতারগুল, জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা ও পান্তুমাইয়ের ফাটাছড়া ঝর্ণাধারায়।

জাফলংয়ের জিরো পয়েন্টে নুড়ি পাথর ও বালু কণার ওপর দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জলধারায় অনেকেই জলকেলিতে মেতে উঠেছেন। তবে সব চেয়ে বেশি পর্যটকের সমাগম লক্ষ্য করা গেছে জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণায়। মায়াবী ঝর্ণার স্বচ্ছ জলে গাঁ ভিজিয়ে বাঁধ ভাঙ্গা উল্লাস করছেন পর্যটকরা।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত পরিমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান প্রশাসন।

শুধুমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও পর্যটন স্পটগুলোতে সরকারের নজরদারী এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হলেই প্রকৃতির এই অপার সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলো বদলে দিতে পারে আর্থীক প্রেক্ষাপট। এমনটাই মনে করেন ঘুরতে আসা পর্যটকরা।